কলকাতা : ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা ‘কালীঘাট-তৃণমূল’- এর নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ – দুপুর ২টোর কিছু আগে থানায় হাজিরা দিলেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। এর আগে মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই একই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গতকাল অর্থাৎ বুধবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে। এর পাশাপাশি গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কালীঘাট-তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকেও। 

মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া কিছু নয়’, ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শেক্সপিয়র সরণি থানা থেকে এমনই বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

অভিষেকের অফিসে ভাঙচুর, শমীক বলছেন, ‘বিজেপি এই ধরনের প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না’ 

কী ঘটেছিল গত ২৭ অগস্ট 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯ ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে থাকা একটি বিলবোর্ড খুলতে যায় কলকাতা পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীরা। ঢোকার মুখেই তাঁদের একপ্রস্থ বাধা দেওয়া হয়। তারপর পুলিশ ও পুরকর্মীরা অফিসের ভিতর ঢুকলে শুরু হয় ধুন্ধুমার। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশকর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানি হয়েছে। পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন খোদ অভিষেক। তাঁর অফিসের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও পুরকর্মীদের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। সবরকমভাবে বাধা দেওয়া হয় পুলিশ ও পুরকর্মীদের। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে দু’টিতে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়াও এফআইআর- এ নাম রয়েছে ডেরেক ও’ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, হুমায়ুন কবীরের। 

অন্যদিকে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে 

এবার তৃণমূলের ক্য়ামাক স্ট্রিটের অফিসে উঠল ভাঙচুরের অভিযোগ। ঘটনায় ৬ জন আটক করা হয়েছে। এই সিসি ক্য়ামেরার ফুটেজ সামনে এনে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় অভিযোগ করেছেন, আজ ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়। এই নিয়ে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, আজ ভোরে ক্যামাক স্ট্রিটে যা ঘটেছে, তা আইনের শাসনের উপর এক লজ্জাজনক এবং নগ্ন আক্রমণ। ভোর প্রায় ৪টা ৩০ মিনিটে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির গুন্ডারা কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে জোর করে ঢুকে পড়ে। আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়, তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়, আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, গোটা অফিস তছনছ করা হয় এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম নষ্ট করে দেওয়া হয়। আর কলকাতা পুলিশ তখন কোথায় ছিল? আমাদের কর্মী এবং আইনজীবীরা বারবার ফোন এবং ইমেল করার পরেও প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে পুলিশের কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *