রুমা পাল, দীপক ঘোষ ও অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা: চিনে অতিভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বুধবার সকালে ভূমিকম্প হয় তিব্বতে। তার জেরেই কি বিপর্যয় নেমে এল নেপালে? নেপাল প্রশাসন সূত্রে তেমনই খবর। ভূমিকম্পের জেরে জলাধার ফেটে নেমে আসে হড়পা বান। অন্যদিকে, ভূবিজ্ঞানীদের ধারণা, তিব্বত এলাকায় হিমবাহ ধসের কারণেই এই ভয়াবহ বন্যা।

আরও পড়ুন, নেপালে ঘুরতে গিয়ে আপনার পরিবারের কেউ আটকে পড়েছে ? মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে খুলেছে কন্ট্রোল রুম, রইল হেল্প লাইন নাম্বার

সুনামির মতো পাহাড়ের মাথা থেকে নেমে আসছে হিমবাহ গোলা জলের স্রোত। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত ছবির মতো সাজানো নেপালের একাধিক জেলা।এক নিমেষে পাল্টে গেল আস্ত ভূগোল। কিন্তু হঠাৎ করে কীভাবে নেমে এল এই বিপর্যয়? নেপাল প্রশাসন সূত্রের খবর, চিনে অতিভারী বৃষ্টির পাশাপাশি, বুধবার সকালে ভূমিকম্প হয় তিব্বতে।যার জেরে হিমতাল জলাধার ফেটে বেরিয়ে আসে জল। অন্যদিকে, ভূবিজ্ঞানীদের ধারণা, তিব্বত এলাকায় হিমবাহ ধসের কারণে ভোতেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। তাঁদের মতে, বরফের একটি ধস তিব্বতের লেন্দে নদীতে পড়ে প্রবাহ আটকে দেয়। ফলে নদীর ওই জায়গায় জমতে থাকে জল এবং এক সময় তা প্রবল বেগে নীচের দিকে ধেয়ে আসে।
 
এর আগেও একাধিকবার বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে নেপাল। ১৯৩৪-এর পর ২০১৫ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় পাহাড়ের রাণী। সেই ভয়াবহতার স্মৃতি ফিরল ১১ বছর পর। নেপাল বিপর্যস্ত হল হড়পা বানে। ছবির মতো সাজানো সব শহর আজ যেন মৃত্যুপুরী। যে দিকে দু’চোখ যায়, শুধুই ধ্বংসস্তূপ। চারিদিকে স্বজন হারানোর কান্না।এদিকে, কৈলাসের পথে রওনা হওয়া ৪০০ তীর্থযাত্রীর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ।যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয়, ৯৩ জন নেপালের নাগরিক। তিব্বত সীমান্ত পেরোনোর আগেই পূণ্যার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। বুধবারই তিব্বতের সীমান্ত পেরোনোর কথা ছিল পূণ্যার্থীদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *