সন্দীপ সরকার, সৌমিত্র রায়, কলকাতা : কালীপুজোর দিন বেলেঘাটায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। বেলেঘাটায় একটি পেট্রোল পাম্পের উল্টোদিকের একটি বাড়িতে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। উড়ে আসা বাজি থেকে অগ্নিকাণ্ড, দাবি স্থানীয়দের। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না, দাবি স্থানীয়দের। তাই এড়ানো গিয়েছেবড় বিপদ। ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় আচমকাই বেলেঘাটার আলোছায়া সিনেমা হলের কাছে একটি বাড়িতে আগুন লেগে যায়। এই বাড়ির উল্টোদিকেই রয়েছে একটি পেট্রোল পাম্প। মুহূর্তের মধ্যেই ভয়াবহ আকার নেয় ওই আগুন। অল্প সময়ের মধ্যেই বাড়িটির বেশিরভাগ অংশ গ্রাস করে নেয় আগুনের লেলিহান শিখা। 

আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। সবচেয়ে বিপজ্জনক হল বেলেঘাটা মেন রোডের উপর যে বাড়িতে এই বিধ্বংসী আগুন লেগেছে, তার উল্টোদিকে একটি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। আগুন নেভানোর জন্য দমকলের আরও ইঞ্জিন ওই এলাকায় আনা হচ্ছে বলে খবর। কীভাবে এই আগুন লাগল, কী করেই বাএত দ্রুত এমন ভয়ানক আকার নিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান, হয়তো বাজি থেকেও আগুন লেগে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। বেলেঘাটা মেন রোডে আংশিকভাবে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, যে বাড়িতে আগুন লেগেছে, সেখানে ভিতরে কেউ ছিলেন না। ফলে বড়সট দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। 

রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে তারাপীঠে পুজো দিতে এল ১৫ জনের দল, মা তারার কাছে প্রার্থনা এবার থামুক যুদ্ধ 

বেলেঘাটা পেট্রোল পাম্পের একদম উল্টোদিকের একটি বাড়ি যা আলোছায়া সিনেমা হলের কাছে অবস্থিত, সেখানে রবিবার সন্ধ্যায় আচমকাই আগুন লেগে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে দমকলবাহিনী। যে রাস্তার উপর এই বাড়িটি রয়েছে, তা পরবর্তীতে গিয়ে মিশেছে ই এম বাইপাসে। বোঝাই যাচ্ছে এখানে যথেষ্ট পরিমাণ যান চলাচল করে। পুজোর দিনে গাড়ির চাপও বেশিই থাকে রাস্তায়। এ হেন ব্যস্ত এলাকার একটি বাড়িতে আগুন লেগে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রাস্তার কিছুটা অংশে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছে পুলিশকে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই বাড়িতে এসে একটি রকেট পড়েছিল। তারপরই দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে বাড়িটি। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকার কিছুটা। যে বাড়িতে আগুন লেগেছে তার পাশেই রয়েছে কালীপুজোর একটি মণ্ডপ। এছাড়াও একদম লাগোয়া রয়েছে অনেক বাড়ি। আগুন যদি আরও ছড়িয়ে পড়ত তাহলে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটতে পারত। আগুনের একটা ফুলকিও ছড়িয়ে গেলে সাংঘাতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হত মাতৃ প্রতিমা থাকা পুজো মণ্ডপ এবং আশেপাশের বাড়িগুলিরও। তবে এ যাত্রায় বড়সড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। আগুনের লেলিহান শিখা নিয়ন্ত্রণে এনেছে দমকলবাহিনী। 

যে বাড়িতে আগুন লেগেছে তার নীচে রয়েছে একাধিক দোকান। আগুন ছড়িয়ে পড়লে এইসব দোকানগুলিও পুড়ে যেতে পারত। তবে এ যাত্রায় সেই ক্ষতি হয়নি। তবে বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। যেহেতু বাড়িতে কেউ ছিল না, তাই বন্ধ ছিল দরজা, জানলা। দমকলকর্মীরা এসে জানলা, দরজা ভেঙে জল দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করেছে। আশপাশের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে নিরাপত্তার খাতিরে। যে বাড়িতে আগুন লেগেছিল সেখানে হাতে টর্চ নিয়ে ঢুকেছেন দমকলকর্মীরা। কোথা থেকে আগুন লাগল, কীভাবে আগুন লাগল, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। এলাকাবাসীর বেশিরভাগই রাস্তায় নেমে এসেছেন। সময়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় তা ছড়িয়ে পড়েনি এবং উৎসবের দিন শহরে এড়ানো গিয়েছে সাংঘাতিক বিপদ।  



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *