ঐশী মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : গত কয়েক মাস ধরেই সারা শহরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে অভিযান চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভার খাদ্য় সুরক্ষা দফতর। পুজোর পর ফের নতুন করে এই কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার শিয়ালদা স্টেশনে পৌঁছয় কলকাতা পুরসভার খাদ্য় সুরক্ষা দফতর।
সকাল থেকেই বিভিন্ন দোকানে যায় তাদের টিম। পুরসভার খাদ্য় সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা পৌঁছে যান সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘রাজু দা-র পকেট পরোটা’র স্টলে। ইন্টারনেটে ফুড ব্লগারদের কল্যাণে যথেষ্ট বিক্রিবাটা এই দোকানে। কিন্তু রাজু দা-র দোকানে খাবারদাবার কি পুরসভার বিভিন্ন মাপকাঠিতে পাশ করতে পারল?
হ্যাঁ। রাজু – দার দোকানের খাবারের স্যাম্পেলে ও মশলাপাতিতে প্রাথমিকভাবে আপত্তিকর কিছু পায়নি পুরসভা। আধিকারিকরা স্যাম্পল সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছেন। খাবারের মান নিয়েও কোনও আপত্তি জানাননি আধিকারিকরা। তবে তাঁরা রাজু দাকে খাবার বিক্রির সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া পরোটাগুলি নিয়ে আসার সময় আরেকটু পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা। এছাড়া বিক্রেতা রাজু ঘোষকে তাঁর বাড়ির ঠিকানায় একটি ফুড লাইসেন্স করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা ।
এছাড়াও এদিন শিয়ালদায় একটি ভাজাভুজির দোকানে গিয়ে তরকারি ও সিঙাড়ায় নিম্নমানের হলুদের সন্ধান পান তাঁরা। সেগুলি ফেলে দেন খাদ্য় সুরক্ষা দফতরের টিমের সদস্য়রা। অন্য়দিকে, বাবুর দোকান নামে একটি দোকানে গিয়ে দেখা যায়, মজুত করা রয়েছে মাছ, মাংস। এমনকী যে মশলা দিয়ে রান্না হচ্ছে, সেগুলি নিম্ন মানের, এরপর সেগুলিকেও ফেলে দেন টিমের সদস্য়রা।