সমীরণ পাল, কলকাতা: আগরপাড়া থেকে এক পরিবার গিয়েছিলেন চোরবাগান সার্বজনীনে ঠাকুর দেখতে। প্রতিমা দর্শন করতেই গিয়েই তাঁদের পরিবারে নেমে আসে বিষাদ। হারিয়েছেন ছেলে ও স্বামীকে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নীহারানি দেবী। বিহারের বাসিন্দা বেসরকারি সংস্থার কর্মী, অভিষেক শ্রীবাস্তব, তাঁর স্ত্রী এবং তার ছেলে আয়ন শ্রীবাস্তবকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা এসেছিলেন আত্মীয়র বাড়িতে। সেখানে এসেছিলেন পুজোয় আনন্দ করবেন বলে। কলকাতায় পুজোয় ঠাকুর দেখবেন বলে। দুপুরবেলা সপরিবারে বেরিয়েছিলেন। তারপর এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।

আরও পড়ুন, “চোরবাগানের পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক শুভেন্দুর ভাইপো..”, মমতা তৃণমূলের অভিযোগের পোস্টের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি শমীক ভট্টাচার্য

প্রত্যক্ষদর্শী নীহারানি দেবী: আমরা বেরোচ্ছিলাম..কিন্তু বেরনোর আগেই গেটের দুদিক থেকে চাপ আসতে থাকে। আমি পড়ে যাই। আমার বাচ্চা এবং স্বামীও পড়ে যান। আমি বারবার বলতে থাকি, আমার স্বামী-সন্তান মরে যাবে -আমাদের বেরোতে দাও, কিন্তু….ভিড় কমে আসে আমায় যখন প্যান্ডেলের পর্দা সরিয়ে বের করে, আমার স্বামী পড়ে ছিল, আমার সন্তানের দেহ একজন বেরিয়ে যায়।…আমাকে একটা ট্যাক্সিতে বসিয়ে দেয়। ২ হাজার টাকা আমি দিই। ..

এবিপি আনন্দ: ওই সময় সেখানে কোনও পুলিশ ছিল ?

প্রত্যক্ষদর্শী নীহারানি দেবী:  ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পিছনে দুই পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল। ওতটা নজর দিইনি। একজন টানছিল ধরে। কে ছিল জানি না। 

এবিপি আনন্দ: আপনি তো কলকাতায় এসেছিলেন, প্যান্ডেল দেখতে। কিন্তু শেষ অবধি  যেটা হল, কী বলবেন ? 

প্রত্যক্ষদর্শী নীহারানি দেবী: আমি কি জানতাম…একী হয়ে গেল আমার সাথে, এখন আমি কী করব (কান্নায় ভেঙে পড়েন)

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *