কলকাতা : সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের পিছনে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ ! নির্বাচনের আগে কার্যত লাখ লাখ টাকা খরচ করেছে বিজেপি।  সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপির জমা দেওয়া তথ্য়েই উঠে এসেছে এই তথ্য।ননির্বাচন কমিশনকে দেওয়া বিজেপির তথ্য় অনুযায়ী, ২৮৭ কোটি টাকা বিজেপি খরচ করেছে শুধু পশ্চিমবঙ্গে ! টাকা খরচের লড়াইতে তুলনায় বহু পিছিয়ে ছিল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিলন রাহুল গান্ধীরা। ৮ কোটি টাকার কাছাকাছি খরচ করে সিপিএম। এর মধ্যে সবথেকে চমকপ্রদ তথ্যটি হল, বিজেপির এই খরচের মধ্যে বিরাট একটা অংশ গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সরদের পকেটে। তার মধ্যে তালিকায় নজর কেড়েছে কয়েকটি নাম। যেমন সায়ক চক্রবর্তী, শমীক অধিকারীদের নাম। নেটদুনিয়ায় এঁরা যথেষ্টই প্রভাবশালী। মমতা-অনুগামী তৃণমূলের অভিযোগ, বিপুল টাকা খরচ করে বিজেপি একটা ম্যানুফ্যাকচারড ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করেছে। কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘ওরা পয়সা দিয়ে কিছু ইউটিউবার বা সোশাল মিডিয়াকে প্রভাবিত করবে, তার পিছনে থাকবে টাকার খেলা, সেখানে এমন কিছু কনটেন্ট তৈরি হবে।’ কিন্তু যাঁদের নিয়ে এত বিতর্ক তাঁরা কী বলছেন ? 

নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া বিজেপির তথ্য়ে নাম রয়েছে সায়ক চক্রবর্তীর । সোশাল মিডিয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসাবে তিনি বেশ পরিচিত। বিধানসভা ভোটের ২ মাস আগে, তাঁর অলিপাবকাণ্ড ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়! তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি তো কনটেন্ট বানানই । অন্যরাও এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভিডিও বানাতে শুরু করেন। সেই সায়কের অ্যাকাউন্টেও নাকি বিজেপির তরফে ঢুকেছে আড়াই লাখ টাকা। তাঁকে এই নিয়ে ক্ষুরধার নিশানা করেছেন মমতা-অনুগামী তৃণমূলের কুণাল ঘোষ।   

কিন্তু এ বিষয়ে কী বলেছেন সায়ক? তিনি জানান, ‘অলি পাব রিঅ্যাকশন আমার ইনস্ট্যান্ট, সেটা অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দেখে আমি নিজে সব ডিলিট করেছিলাম । আমি সেটা নিয়ে আর কথাও বলিনি, অলি পাব ভুল স্বীকার করে স্টেটমেন্টও দিয়েছিল । এটার সাথে অন্য কিছুরই কোনও সম্পর্ক নেই ।’ সায়কের আরও দাবি, ‘ হ্যাঁ, আমি তাদের হয়ে কিছু কনটেন্ট বানিয়েছি, কী সেটা ? SIR নিয়ে কিছু টেকনিক্যাল এক্সপ্ল্যানেশন এবং যুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী চুপ থাকার কারণ এবং BJP campaign এর কাজ শেষ হয় নতুন CM কে congratulation জানিয়ে-মে মাসে । অলি পাবের ঘটনা জানুয়ারিতে ।’  

আর শমীক অধিকারী ? নির্বাচন কমিশনে দেওয়া বিজেপির তথ্য় নিয়ে শমীক অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

অন্যদিকে, অধুনা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অনুগামী তৃণমূলের সদস্য, ঋজু দত্ত বলছেন, ‘এই বিষয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় এবং অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় … তারাও ধোওয়া তুলসীপাতা নন। ‘ তবে, বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কত অর্থ ব্যয় করেছিল সেই সংক্রান্ত তথ্য কমিশনের কাছে এখনও জমা পড়েনি। 

(স্টোরিটি এই মুহূর্তে ব্রেক করা হয়েছে, আপডেট করা হচ্ছে I সাম্প্রতিকতম আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন)



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *