কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর এবার উপনির্বাচনের বাগান থেকেও মুছে গেল ‘জোড়াফুল’চিহ্ন। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-এর ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ বা ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’ কোনওপক্ষই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্য়বহার করতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয় কমিশন। তবে দু’পক্ষই নিজেদের শিবিরের জন্য় ৩টি করে পছন্দের ‘নাম’ জানাতে পারবে। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ‘ফ্রি সিম্বল’-এর তালিকা থেকে ৩টি পছন্দের ‘প্রতীক’জানাতে পারবে। সেখান থেকে দু’পক্ষের জন্য় একটি করে ‘নাম’ ও ‘প্রতীক’ বরাদ্দ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্য়ে দু’পক্ষই জমা দিয়েছে তাদের পছন্দের তালিকা। আর এর মধ্যেই ‘ঋতব্রত-তৃণমূলকে’ কটাক্ষ করে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
”আমাদের তো মমতাদি আছেন, ওরা বরং নির্বাচন কমিশন থেকে ১১৬ নম্বর বালিশ চিহ্ন নিক”। নির্বাচন কমিশনে নাম-প্রতীক জমা দেওয়া নিয়ে ফের কটাক্ষ কুণাল ঘোষের। এক্স হ্যান্ডলে কুণাল ঘোষ পোস্ট করে প্রশ্ন করেন ”বালিশদের নেতা কে?” পোস্ট করে কুণাল ঘোষ লেখেন যে, ”আমাদের তো মমতাদি আছে, ওরা বরং EC থেকে ১১৬ নম্বর বালিশ চিহ্ন নিক। চাটন পার্টি তো! কেন্দ্রের ক্ষমতা অপব্যবহার করে বিজেপির দলদাস EC যে নির্দেশ দিয়েছে, তা দেখে বিজেপি, কিছু সিপিএম, একাংশের কংগ্রেসের আনন্দ দেখে আমোদ পাচ্ছি। মমতাদি আর তাঁর সৈনিকরাই আসল মাথাব্যথার কারণ, সেটা স্পষ্ট হল আবার।এটা এখানে শেষ নয়। শুরু। আমাদের তো দিদি আছেন। তাঁর মুখটাই আসল। ঘাসের উপর জোড়া ফুল তিনিই মানুষকে চিনিয়েছিলেন। এ লড়াই অনেকদূর যাবে। আমরা যাই করি দিদির সৈনিক বলে মানুষের দরবারে থাকব। কিন্তু বালিশদের নেতা কে? বকলমে বিজেপির দালালি করে কদিন চলবে? ECর ফ্রি সিম্বল লিস্টে 116 নম্বরে বালিশ আছে। চাটনরা ওটা নেবে নাকি?”
আমাদের তো মমতাদি আছে, ওরা বরং EC থেকে 116 নম্বর বালিশ চিহ্ন নিক। চাটন পার্টি তো! কেন্দ্রের ক্ষমতা অপব্যবহার করে বিজেপির দলদাস EC যে নির্দেশ দিয়েছে, তা দেখে বিজেপি, কিছু সিপিএম, একাংশের কংগ্রেসের আনন্দ দেখে আমোদ পাচ্ছি। মমতাদি আর তাঁর সৈনিকরাই আসল মাথাব্যথার কারণ, সেটা স্পষ্ট হল আবার। এটা এখানে শেষ নয়। শুরু। আমাদের তো দিদি আছেন। তাঁর মুখটাই আসল। ঘাসের উপর জোড়া ফুল তিনিই মানুষকে চিনিয়েছিলেন। এ লড়াই অনেকদূর যাবে। আমরা যাই করি দিদির সৈনিক বলে মানুষের দরবারে থাকব। কিন্তু বালিশদের নেতা কে? বকলমে বিজেপির দালালি করে কদিন চলবে? ECর ফ্রি সিম্বল লিস্টে 116 নম্বরে বালিশ আছে। চাটনরা ওটা নেবে নাকি? বিজেপির মাথাব্যথা জোড়া ফুল। নিজেদের চক্রান্তটা কয়েকটা বেইমান, দালালকে দিয়ে করালো। যারা কদিন আগে দিদির দেওয়া প্রতীকে জিতল, তারা সেই প্রতীকটাকে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে নষ্ট করতে চাইল। এই বেইমান, বিজেপির দালালদের মানুষ গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দেবেন। সহকর্মীরা আত্মবিশ্বাসী থাকুন। দিদির Plan B, Plan C তৈরি। যা করার করছেন। যথাসময়ে বলবেন। আইনি, টেকনিকাল, কৌশলগত কিছু বিষয় আছে। এখনই এনিয়ে কোনো কথা নয়। খানিক পরে দিদি জানাবেন। সহকর্মীরা আসুন, সবাই তৈরি থাকি। এ লড়াই বড় লড়াই। সাময়িক, তাৎক্ষণিক নয়। মমতাদির নেতৃত্বে বাংলার মানুষ এবং আমরা কর্মীরা জিতব। 28 বছর আগে যিনি দল ও নতুন প্রতীক নিয়ে সারা বাংলা ও দেশে ঝড় তুলেছেন; এভাবে ECর রাজনৈতিক ফতোয়া দিয়ে তাঁকে থামানো যাবে না। মমতাদির সঙ্গে লড়ছে কেন্দ্র+ বিজেপি+ নির্বাচন কমিশন+ EC. একটা আপত্তিকর অন্তর্বর্তী রায় দিয়ে কিসসু হবে না। লড়াই চলবে। লড়াই জিতব। মমতাদির নেতৃত্বে দল চলছে চলবে। জয় বাংলা।
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 18, 2026
তিনি আরও লেখেন, ”বিজেপির মাথাব্যথা জোড়া ফুল। নিজেদের চক্রান্তটা কয়েকটা বেইমান, দালালকে দিয়ে করালো। যারা কদিন আগে দিদির দেওয়া প্রতীকে জিতল, তারা সেই প্রতীকটাকে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে নষ্ট করতে চাইল। এই বেইমান, বিজেপির দালালদের মানুষ গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দেবেন। সহকর্মীরা আত্মবিশ্বাসী থাকুন। দিদির Plan B, Plan C তৈরি। যা করার করছেন। যথাসময়ে বলবেন। আইনি, টেকনিকাল, কৌশলগত কিছু বিষয় আছে। এখনই এনিয়ে কোনো কথা নয়। খানিক পরে দিদি জানাবেন। সহকর্মীরা আসুন, সবাই তৈরি থাকি। এ লড়াই বড় লড়াই। সাময়িক, তাৎক্ষণিক নয়। মমতাদির নেতৃত্বে বাংলার মানুষ এবং আমরা কর্মীরা জিতব। 28 বছর আগে যিনি দল ও নতুন প্রতীক নিয়ে সারা বাংলা ও দেশে ঝড় তুলেছেন; এভাবে ECর রাজনৈতিক ফতোয়া দিয়ে তাঁকে থামানো যাবে না। মমতাদির সঙ্গে লড়ছে কেন্দ্র+ বিজেপি+ নির্বাচন কমিশন+ EC. একটা আপত্তিকর অন্তর্বর্তী রায় দিয়ে কিসসু হবে না। লড়াই চলবে। লড়াই জিতব। মমতাদির নেতৃত্বে দল চলছে চলবে। জয় বাংলা।”
আরও পড়ুন – শুধু তৃণমূল নয়, অতীতেও একাধিকবার প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন, ২০২২ সালে কী ঘটেছিল ?