কলকাতা : ‘যে আইনের বিরুদ্ধে যাবে, আইন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কেউ আইনের উপরে নয়। যথা সময়ে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে’, হুমায়ুন কবীরকে পুলিশের তলব প্রসঙ্গে মন্তব্য বিজেপি বিধায়ক এবং রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের। গত ২৭ অগস্ট ৯ ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে বিলবোর্ড খুলতে গেলে পুরসভার কর্মী এবং কলকাতা পুলিশকে যে ধন্ধুমার পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল, সেই ঘটনায় প্রাক্তন আইপিএস এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ফের সমন পাঠিয়েছে পুলিশ। কসবায় হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে যায় শেক্সপিয়র থানার পুলিশ। হুমায়ুন কবীরের নিরাপত্তারক্ষী পুলিশের থেকে সেই নোটিস নিয়েছেন বলে খবর। এই নিয়ে তৃতীয়বার নোটিস পাঠানো হয়েছে হুমায়ুন কবীরকে। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, কেউ আইনের বিরুদ্ধে গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, কী বলছেন অভিযোগকারিণী ?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্য়ামাক স্ট্রিটের অফিসের বিলবোর্ড খোলা ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতির ঘটনায় এই নিয়ে তৃতীয়বার প্রাক্তন IPS হুমায়ুন কবীরকে নোটিস ধরাল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। ৯ সেপ্টেম্বর হুমায়ুন কবীরকে শেক্সপিয়র সরণি থানায় তলব করা হয়েছে। তবে তাঁর বদলে নোটিস গ্রহণ করেছেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষী। বুধবার নয় আগামীকালই থানায় হাজিরা দেবেন, জানিয়েছেন ডেবরার প্রাক্তন বিধায়ক। এর আগে ২ বার তাঁর বাড়িতে গিয়েও নোটিস ধরাতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্য়ে শনিবার তাঁর কসবার বাড়িতে গিয়ে অনেক ডাকাডাকির পরেও দেখা মেলেনি কারও।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯ ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে থাকা একটি বিলবোর্ড খুলতে যায় কলকাতা পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীরা। ঢোকার মুখেই তাঁদের একপ্রস্থ বাধা দেওয়া হয়। তারপর পুলিশ ও পুরকর্মীরা অফিসের ভিতর ঢুকলে শুরু হয় ধুন্ধুমার। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশকর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানি হয়েছে। পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন খোদ অভিষেক। তাঁর অফিসের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও পুরকর্মীদের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। সবরকমভাবে বাধা দেওয়া হয় পুলিশ ও পুরকর্মীদের। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে দু’টিতে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়াও এফআইআর- এ নাম রয়েছে ডেরেক ও’ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, হুমায়ুন কবীরের। এই চারজন ছাড়াও এই মামলায় অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কেও তলব করেছে পুলিশ।