কলকাতা: বারুইপুরে বিজেপি কর্মীকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় এবার CBI তদন্তের দাবিতে সরব হল পরিবার। ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্য়ে সুজন মণ্ডল বিজেপির প্রতীকে জেতা পঞ্চায়েত সদস্য়। যদিও, যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতির দাবি, সুজন মণ্ডলকে আগেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। আবার, বিজেপির রাজ্য় কমিটির সদস্য় বলছেন, আগেই সুজন মণ্ডলকে বহিষ্কার করা হয়। বারুইপুরের হাড়দহে বিজেপি কর্মীর হাড় হিম করা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হল ৪ জনকে। ধৃতদের মধ্য়ে একজন বিজেপির প্রতীকে জেতা পঞ্চায়েত সদস্য়। একজন বিজেপি কর্মী। বাকি ২ জন তৃণমূলের কর্মী। যদিও, নিহত বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিকের পরিবার এই ঘটনায় CBI তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে।
নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের দাবি, রবিবার রাত ১০টা নাগাদ একটা ফোন আসে। কাউকে মারধর করা হচ্ছে খবর পেয়ে, সেখানে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বেরোন তিনি। ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে FIR করা করা হয়। সেখানে অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে নাম ছিল বিজেপির প্রতীকে জেতা পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডলের। এই প্রেক্ষাপটে সেই সুজন মণ্ডল বিজেপি কর্মী কনক মণ্ডল ২ তৃণমূল কর্মী – কৃষ্ণ মণ্ডল ও অনিল নাইয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত এই সুজন মণ্ডলের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা কথা সামনে আসছে। বিজেপির রাজ্য় কমিটির সদস্য় উত্তম কর সোমবারই দাবি করেন, সুজন মণ্ডলকে আগেই বহিষ্কার করা হয়। অন্যদিকে, যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতির দাবি, সুজন মণ্ডলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে, তিনি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নন বলেও দাবি করেছেন মনোরঞ্জন জোয়ারদার। এদিকে বিজেপির কর্মীর খুনের ঘটনায় পরিবারের CBI তদন্ত দাবি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। অভিযুক্ত বাকি ১২ জনের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
হুগলির আরামবাগে বিজেপির জেলা সহ-সভাপতির বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল দলেরই কর্মীদের বিরুদ্ধে। মাথা ফাটল বিজেপি নেতার নাবালক ছেলের। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও বিজেপির জেলা সহ-সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ উঠল দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এন্টালি, আনন্দপুর, মালদার পর এবার হুগলির আরামবাগ, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও সামনে চলে এল বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল! বাধল রক্তারক্তি কাণ্ড! আরামবাগে বিজেপির জেলা সহ-সভাপতির বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল বিজেপিরই কর্মীদের বিরুদ্ধে! মারধরে মাথা ফাটল বিজেপি নেতার নাবালক ছেলের!