কলকাতা : ‘ভবানীপুরের প্রত্যেকটা বাড়িতে আবার একদিন আসব।’ শুক্রবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেদিন তিনি কী কর্মসূচি নিয়ে আসবেন সেকথাও জানান।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভবানীপুর হবে আদর্শ বিধানসভা। এক লক্ষ গাছ লাগাচ্ছি। স্কুলগুলিকে স্মার্ট স্কুলে পরিণত করব। খেলার মাঠগুলিকে সাজাব। পার্কগুলিকে সাজানোর কাজ শুরু করেছি। ভবানীপুরের প্রত্যেকটা বাড়িতে আবার একদিন আসব। আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড দিতে। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ফ্রি। আর যারা আয়ুষ্মানের নিয়মে পড়বেন না, তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা কার্ড দিয়ে যাব। শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, ভারতের ৩৮ হাজার হাসপাতালে বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাবেন। আমি আবার আসব।”
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে ভবানীপুরে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি বলেন, “২৮ তারিখ রাখিবন্ধন আমি পালন করতে আসব ভবানীপুরে। আমি অর্থশালী লোকেদের বাড়িতে যাব না সেদিন। সেদিন আমি ভবানীপুরে ৮টা ওয়ার্ড হেঁটে ঘুরেছি। এত বড় বড় বিল্ডিং। কোটিপতি। শিল্পপতি। বড় ব্যবসায়ী। বড় বড় মানুষরা থাকেন। অনেক অধ্যাপক-ডাক্তার থাকেন। তাঁরাও আশীর্বাদ দিয়েছেন। কিন্তু, আলোর নীচে অন্ধকার। ৫৬টা এমন পাড়া আছে, যারা কী গরিব, কী দুর্দশায় থাকেন, আমি নিজে দেখে গেছি। এমনকী একটা পাড়ায় গেছিলাম…বলছে জল দেয় না। একটা নলকূপ। ওখান থেকে জল নিতে হয় লাইন দিয়ে। আর একটা পাড়ায় গিয়েছিলাম, আমাকে বলেছিলেন…বাবু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন- গুজরাতি-মারওয়াড়িরা নাকি বাহারি। আমি ওঁর বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করি। আমাকে ৮ হাজার টাকা বেতন দেন। এরা চলে গেলে কার বাড়িতে কাজ করব ? আমি বলেছিলাম, না এটা ভারত। এখানে কেউ ছোট-বড় নেই। সবাই মিলেমিশে আমরা থাকব।”