কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে ফেলেছিলেন। সাড়া পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। কিন্তু বেলডাঙা-রেজিনগর এলাকায় এখনও পর্যন্ত প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ সেভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। প্রশাসনের তরফে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি বলেই নির্মাণ আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। অন্য দিকে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বাবরের নাম থাকলে অনুমতি মিলবে না। যদিও হুমায়ুন জানিয়েছেন, আদালতেও যেতে প্রস্তুত তিনি। (Humayun Kabir Babri Masjid)

বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ কতদূর এগোল, তা জানতে চাইলে ক্ষোভ উগরে দেন হুমায়ুন। বলেন, “আমাদের ট্রাস্টের পক্ষ থেকে যে জমি কেনা হয়েছে, সেই জমির মিউটেশন, কনভার্সনকে অবহেলা করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। আমাদের কোনও সহযোগিতা করা হচ্ছে না।” (Suvendu Adhikari)

কিন্তু শুভেন্দু সাফ জানিয়েছেন, বাবরের নাম থাকলে কোনও অনুমতিই মিলবে না। তাঁর বক্তব্য, “একটি নয়, নিজের জমিতে ১০০ মসজিদ বানাও। কোনও সমস্যা নয়। মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার…সংবিধান অধিকার দিয়েছে। কিন্তু বাবর ভারতের ছিল না। ও লুটেরা ছিল। বাবরের নাম লেখার অনুমতি মিলবে না। করতে গেলে ফল তো ভুগতে হবে।”

আরও পড়ুন: গৃহস্থের দরজায় গ্যাস সিলিন্ডার নামাতেই বিস্ফোরণ, দাউদাউ করে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ডেলিভারি বয়

বাবরি মসজিদ নিয়ে হুমায়ুন প্ল্যান দেখাতে পারেননি বলেও জানান শুভেন্দু। বলেন, “আপনার প্ল্যান অ্যাপ্রুভাল পায়নি। যে যে কাগজ দরকার নেই। সব পেয়ে যাবেন সঙ্গে সঙ্গে। জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়ে রেখেছি আমি। বাবরের নাম সরাতে হবে। আমি অনুরোধও করছি আপনাকে। বাবরের নাম বাদ দিয়ে অন্য নামে মসজিদ বানান।”

আরও পড়ুন: আমেরিকা-পাকিস্তান থেকে টাকা পাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি? মারাত্মক অভিযোগ কেন্দ্রের, মুখ খুললেন অভিজিৎ-আশুতোষরা

কিন্তু এর পাল্টা হুমায়ুন বলেন, “ইঁট, পাথর, বালি, সিমেন্ট, রডে তো বাবরের নাম লেখা নেই! মুখ্যমন্ত্রীর কথাই মেনে নিলাম না হয়। আমার স্ট্যান্ড তো সকলেই জানেন। নির্মাণকার্যটা হতে দিন। মুখ্যমন্ত্রীর বলার অধিকার আছে যেহেতু তিনি আমাদের রাজ্যের সাংবিধানিক সর্বোচ্চ পদে আসীন আছেন। নামকরণের সময় বলবেন! নিশ্চয়ই ওঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।” হুমায়ুন জানিয়েছেন, হুমকি দিয়ে লাভ নেই। তিনি আদালতে যেতেও প্রস্তুত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *