কলকাতা: বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক বদলি বিল পেশ নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হল। শিক্ষা বিল সংশোধনী বিধানসভায় পেশ হওয়ার সময় বিলের সমর্থনে সরকারপক্ষ, বিরোধিতায় বিরোধীপক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী বিলের সমর্থনে বলতে ওঠামাত্রই বিরোধীদের স্লোগান ওঠে।                                   

বামেদের বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যা খুশি করবেন নাকি? এটা কি দেশ না রাজ্যের বাইরে? এই জন্যই আপনারা হেরেছেন। সামনের ভোটে আপনাদের কী অবস্থা গেরুয়া করবে, তা দেখবেন। আপনাদের বিরোধিতায় আমাদের সুবিধাই হচ্ছে’, বিরোধীদের উদ্দেশে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর।                                                 

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ‘সিপিএম অনিলায়ন করেছিল। আপনাদের দল তিন না চার টুকরো জানি না, মমতায়ণ করেছিল। আমরা সেটা করব না। লিলুয়ায় এসে একজন সন্ত নিজের মতো করে কিছু বলেছেন। ভবানীপুরে তাঁর ছবি পোড়ানো হয়েছে, সিপি-কে বলছি ওদের গ্রেফতার করতে। রেজিনগরে ভাল করে লড়ব, ছাড়ার কোনও জায়গা নেই। রাজ্য ও কেন্দ্র মিলিয়ে ১৩০০ কোটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া হবে’।                                        

এরপরই সুর চড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘ভারত তেরে টুকড়ে হোঙ্গে লিখলে, আমরাই টুকরো করে দেব। নতুন তৈরি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তথাকথিত পণ্ডিতদের পাঠাব। প্রতিষ্ঠিত ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচুর অধ্যাপক-শিক্ষাকর্মী আছেন, তাঁদের অন্যত্র পাঠানো হবে। অন্যান্য রাজ্যেও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির সংস্থান রয়েছে। কোন লাইনে যাচ্ছি, বোঝা যেতেই বিল নিয়ে চিড়বিড় করা শুরু হয়েছে। রাজ্যে বিধানসভায় আইন প্রণয়নের নিজস্ব শিক্ষা আইন আনার সম্পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। সরকারের আইনের জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের উপরে’।

হুঁশিয়ারির সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কিষেণজির নাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লিখতে দেব না। বেছে বেছে গেরুয়াধারীদের তথাকথিত বামপন্থী অধ্যাপকরা টার্গেট করেছেন,এটা চলবে না। দুর্গাপুজোকে পুজো না লিখে তথাকথিত বামপন্থীরা শারদোৎসব লিখলে, তাঁদের স্টল করতে দেবেন না। বদলি চাকরির অন্তর্নিহিত শর্ত, অসুবিধা হলে চাকরি ছেড়ে দিন, ঝোলা নিয়ে হোলটাইমার হয়ে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন রক্ষা হবে, পাশাপাশি সরকারের দায়বদ্ধতাও দেখা হবে।’   



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *