মালদা: গঙ্গা ভাঙন মালদা জেলার অন্যতম সমস্যা। আর সেই নিয়ে কেন্দ্রের বৈঠকে যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি মুখ খুললেন আগের সরকারের কাজের পদ্ধতি নিয়ে। মালদায় কী সমস্যা, সেই বিষয়েও বললেন তিনি। কথা বললেন ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়েও।

আরও পড়ুন: আগামী ৫ বছরে বাড়ি কিনবেন বলে ভাবছেন, মাসে কত টাকা SIP করবেন জানেন?

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বললেন পূর্বতন সরকার আগের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেনি। তিনি বলেন, “গত ১৫ বছর রাজ্য সরকার এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেনি। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ এই বৈঠকে যুক্ত হল। এই বৈঠকে দুটো বিষয় আমি তুলে ধরেছি।”

মালদার গঙ্গা ভাঙন নিয়ে আলোচনায় দুটো বিষয়ে কথা বলেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “একটা হল, মানিকচকের ভূতনী ও রতুয়া, ওখানে গঙ্গার কারণে যে ভাঙন ও বন্যা। তার প্রতিরোধের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োজন। তার জন্য বিহারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পরিকল্পনা হয়ে গিয়েছে। ঝাড়খণ্ড সরকারের একটা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট লাগবে। ১৬ কিলোমিটার ড্রেজিংয়ের জন্য। সেই ব্যাপারে আমি মাননীয় মন্ত্রী এবং কমিশনের গঙ্গা ফ্লাড কন্ট্রোল বোর্ডের সাহায্য চেয়েছি।”

এ ছাড়াও আরও একটি কারণ নিয়েও বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “দ্বিতীয় হচ্ছে ২০১৮ সালে ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ, জাতীয় জলপথ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ ও জলপথ দফতরের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ তাদের ২০ কিলোমিটার এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিয়েছিল। যে ৮০ কিলোমিটার এলাকায় রাজ্য সরকারের কথা ছিল, নদীয়া পর্যন্ত, সেটা তারা করেনি। সেই বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। প্রাথমিক ভাবে ৫০০ কোটি টাকা দেওয়ার জন্য মন্ত্রী তাঁর সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন। ডিপিআর ও ফর্ম্যালিটি কমপ্লিট হলে এই টাকা দেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন: অবসরের পর মাসে ৫০ হাজার টাকা উপার্জন করতে চান, তবে আপনার কত টাকার তহবিল প্রয়োজন?

এ ছাড়াও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়েও এই বৈঠকে কথা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কীভাবে এই মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হবে, তার টাকা কোথা থেকে আসবে, সেই সব কিছুই জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আর আমরা বলেছি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমরা ভারত সরকারের ফ্লাড কন্ট্রোলের যে টাকা রয়েছে, আর আমাদের রাজ্য সরকারের যে অর্থ রয়েছে, সেখান থেকে আমরা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা খরচ করে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানটা নিজেরা করে দেব।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *