কলকাতা: SIR ট্রাইব্যুনাল থেকে পদত্যাগ করলেন আরও এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। SIR ট্রাইব্যুনাল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন অবসরপ্রাপ্ত কলকাতা হাইকোর্টের অবসপরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে পদত্যাগ করলেন। (Justice Biswajit Basu)
রাজ্য়ের SIR ট্রাইব্যুনাল থেকে পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বসু। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগেকে চিঠি লিখে নিজেকে সরিয়ে নিলেন তিনি। SIR পর্বে বিবেচনাধীন তালিকা নিষ্পত্তির দায়িত্ব ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের উপর। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সেই মতো ট্রাইব্যুনাল গড়ে দিয়েছেন, যাতে শামিল ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বসুও। শেষ পর্যন্ত তিনিও সরে দাঁড়ালেন। (SIR Tribunal)
আরও পড়ুন: ‘আমার বুকের উপর দিয়ে বুলডোজার চালিয়ে দিন, দেখি কত হিম্মত’, বললেন মমতা, অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছলেন
SIR পর্বে বাদ পড়া মানুষ জন যাতে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন, তার জন্যই SIR ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল। ১৯ জন প্রাক্তন বিচারক এবং প্রাক্তন বিচারপতিদের শামিল করা হয় তাতে। এর আগে, ওই ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে দাঁড়ান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পদত্যাগের কারণ জানাতে গিয়ে বেহাল রাস্তার কথা তুলে ধরেছিলেন। জানিয়েছিলেন, সল্টলেক থেকে ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে জোকা যেতে সমস্যা হচ্ছে তাঁর। ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে দাঁড়ান কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগও। সেই তালিকায় আরও একটি নাম জুড়ল।
ঘটনাচক্রে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি, বিচারপতি বসু রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকারেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। তৃণমূল আমলের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে যে তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে, তার নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, স্বাস্থ্য কমিশনের মাথাতেও রয়েছেন।
বার বার ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রাক্তন বিচারপতিদের এভাবে সরে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিপুল পরিমাণ মামলা আটকে রয়েছে এখনও। কবে সেগুলির নিষ্পত্তি হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
SIR নিয়ে এই মুহূর্তে উত্তাল গোটা দেশ। ভূরি ভূরি অনিয়ম, ভোট চুরির অভিযোগ উঠছে। সেই নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি থেকে বিজেপি বিরোধী I.N.D.I.A শিবির রাস্তায় নেমেছে। একাধিক মামলাও দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। দাবি উঠছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের।