কলকাতা: রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন বাম-কংগ্রেসকেও। ১৫০ দিনে তৃণমূল, জোড়াফুল-দু’টির কিছুই নেই বলে জানালেন তিনি। রাজ্যের কোথাও আর তৃণমূলকে পাওয়া যাবে না বলে দাবি করেন। সেই সঙ্গে, বাম-কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “লালবাবুরা বিধানসভায় সবেধন নীলমণি ১। সাইনবোর্ড হয়ে যাওয়া কংগ্রেেস ২। চাইলে তাও সাগরদিঘির মতো হয়ে যাবে।” (Suvendu Adhikari)

বৃহস্পতিবার শাখারভ সরকারের হয়ে রেজিনগরে প্রচার করতে যান শুভেন্দু। সেখানে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে জয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে বলেছিলাম তৃণমূলের নাম ও নিশান থাকবে না। ১৫০ দিনে জোড়াফুলও নেই, তৃণমূলও নাই। ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন বলে, ,আমাদের নেতা অন্য’। তারা অন্য দিকে হাঁটে। ৮০ জন বিধায়ক, তার ৬৪ জন বলে, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি না’। নির্বাচন কমিশন বলে, ‘কাকে প্রতীক দেওয়া যায়! কে আসল, কে নকল’! একজনের নাম হয়েছে মমতা- AITC-গরুর গাড়ির হেডলাইট। আর একটার নাম D-TMC. গোটা রেজিনগর কেন, পশ্চিমবঙ্গের কোথাও এেদের নাম-নিশান আর খুঁজে পাবেন না।” (Rejinagar By Elections)

আরও পড়ুন: ‘৪০০০ ইভিএম পুড়িয়েছে, মাস্টারমাইন্ড বিজেপি’, অভিষেককে পাশে নিয়ে আক্রমণ শানালেন মমতা, দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক

একযোগে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূলকে আক্রমণ করে আরও বলেন, “এই রাজ্য ৩৪ বছর শাসন করা লালবাবুরা বিধানসভায় কত? সবেধন নীলমণি ১। এই রাজ্যকে ২৫ বছর শাসন করা, সাইনবোর্ড হয়ে যাওয়া কংগ্রেস বিধানসভায় মাত্র ২। তাও যদি কেউ চায়, তাহলে সাগরদিঘির মতো হয়ে যাবে। একদিনেই ভোকাট্টা। অন্য দিকে, ১৫ বছরে এই রাজ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছেন যিনি…সেই তৃণমূল-কংগ্রেস…আমি গণনার দিন ১৫১০৫ ভোটে ভবানীপুরে হারালাম। নাম আর নিশান থাকবে না।”

আরও পড়ুন: I.N.D.I.A শিবিরে যোগ দিতে চায় ঋতব্রত-তৃণমূল, শর্ত একটাই, মমতাকে রাখা যাবে না

রেজিনগরে দাঁড়য়ে হুমায়ুন কবীরকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। বলেন, “যে সংখ্যালঘুরা এতদিন বিজেপি-কে ভোট দেয়নি, আজ তারা লাইন দিয়ে দাঁড়য়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বলেছে, আমরা ভোট নষ্ট করব না। বেলডাঙায় এত বেকার। শিল্প  ধ্বংস। আর উপরওয়ালার মার। নামও নেই, নিশানও নেই। বাকি কে থাকল? বাকি থাকল একজন। তিনি বলছেন, অজিত পওয়ার বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। ইন্দিরা গাঁধী, রাজীব গাঁধী নাকি আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন! পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী…আমি শুক্রবার উপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করব যাতে তাড়াতাড়ি তুলে নেয়। আমার মৃত্য়ুকামনা করেছেন। এই লোককে ভোট দেবেন আপনারা? আমরা শত্রুর সম্পর্কেও এমন কথা বলি না। আমি রেজিনগরের মানুষের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে গেলাম।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *