<p><strong>কলকাতা: </strong>নীল-সবুজ ক্যানভাসে ছিল ছবির মতো সাজানো ঘরবাড়ি। সেখানে এখন শুধুই ধ্বংসের ছবি। ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে একাধিক গ্রাম। মৃতদেহ উদ্ধারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬৯। এরাজ্যের ৩৭ জন-সহ প্রায় ৪০০ ভারতীয় এখনও নিখোঁজ। মোট নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ।</p>
<p>হড়পা বানের জল কেড়ে নিয়েছে সব কিছু। সম্বল বলতে এখন শুধুই চোখের জল! প্রিয়জনের অপেক্ষায় বসে আছেন হাজার হাজার মানুষ। ধ্বংস্তূপের মধ্যে চলছে উদ্ধার কাজ। ত্রিশূলি নদীর ধারেই ছিল ধুঙ্গে গ্রাম। এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এদিক ওদিক ছড়িয়ে আছে, ভাঙা বাড়ির দেওয়াল, ছাদ, ভাঙা দরজা বা জানালার গ্রিল। গ্রামের কে বেঁচে আছেন আর কে নেই- কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। রাসুয়ার পর সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে এই ত্রিশূলি এলাকায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, তল্লাশি চলছে। নিখোঁজদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। হাসপাতালে হাসপাতালে প্রিয়জনের খবরের জন্য ভিড় করেছেন অসংখ্য মানুষ।</p>
<p>বুধবার সকালের হড়পা বানে নেপালের যে সব জেলাগুলি ভয়ানক ক্ষতিগ্রস্ত তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধাদিং। এই ধাদিং-এর গলসি গ্রামে এবিপি আনন্দর ক্যামেরারয় উঠে এল ভয়ঙ্কর ছবি। নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় হিমবাহ ভেঙে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ হড়পা বানের পর, এখনও কয়েকশো জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এরাজ্যের ৩৭ জন-সহ প্রায় ৪০০ ভারতীয় এখনও নিখোঁজ।&nbsp;মোট নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। হড়পা বানে তছনছ হয়ে গেছে সবকিছু। কেউ চিরতরে চাপা পড়েছেন এই ধ্বংসস্তূপের নীচে। সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে কোনওমতে পালিয়ে বেঁচেছেন কেউ….. যে সব পরিবার প্রাণে বেঁচেছে, তাদের মধ্যে রয়েছে এই ভাণ্ডারী পরিবার। কারণ, বুধবার তাণ্ডবের সময় বাড়িতে ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। শুধু এই ভাণ্ডারীদের বাড়ি নয়, গোটা গ্রামই কার্যত ধ্বংসস্তুপ! প্রকৃতি কেড়ে নিয়েছে সব কিছু। প্রিয়জনের পথ চেয়ে অসংখ্য পরিবার।</p>
<p>নেপালের ত্রিশূলি বাজার ঢাকা পড়েছে পুরু কাদার নীচে। সরকারি অফিসপাড়ায় বুধবার তাণ্ডব চালিয়েছে হড়পা বান। জলকাদার নীচে চলে গেছে কৃষি বিকাশ ব্যাঙ্কের একতলা। উদ্ধারকাজে তদারকি করতে, নেপালের বিদেশ মন্ত্রকে খোলা হয়েছে Emergency Control Room. এরই মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। ত্রিশূলি নদীর ধারে গড়ে ওঠা ধুঙ্গে গ্রাম কার্যত ধুয়ে সাফ হয়ে গিয়েছে হড়পা বাণে। শুধু গ্রাম নয়, একই ছবি ত্রিশূলি বাজারের। পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে নবাকোট জেলার এই মার্কেট এলাকা।</p>



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *