ABP Ananda LIVE : ”৩ জন সংখ্যালঘু সাংসদকে বাদ দিয়েই NCPI-এর বাকি ১৭ জন সাংসদ যাচ্ছেন বিজেপিতে। আবু তাহের, খলিলুরদের বিভিন্ন দফতর দেওয়া হবে, তাঁরাও NDA-কে সমর্থন করবেন। ওঁদের এলাকা সংখ্যালঘু, তাই ওঁরা সরাসরি বিজেপিতে যাবেন না, কিছু সমস্যা আছে। ২০ জনের থেকে ১৪ জন গেলেই তো দুই-তৃতীয়াংশ” ”আমরা আছি ১৭ জন, দলবিরোধী আইনে পড়ব না” পুজোর আগে বা পরেই আমরা বিজেপিতে যাচ্ছি, দাবি NCPI সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার
আরও খবর
পুজোর আগেই রাজ্যের ২ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হবে। পুজোর পর হবে পুরভোট। এই অবস্থায় জোড়াফুল প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। সেই আবহেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর, উভয় কেন্দ্রের জন্যই প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারই জানিয়ে দেওয়া হল, নন্দীগ্রামে ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান দে।
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে প্রার্থী হচ্ছেন রবিউল আলম চৌধুরী।
কিছুদিন ধরেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কি প্রার্থী হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই? নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হল নন্দীগ্রামেরই সঞ্চিতাকে। কে এই সঞ্চিতা ? ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ছিলেন নারী শিশুকল্যাণ কর্মাধ্যক্ষ। ২০১৮ থেকে ২০২৩ ছিলেন, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। ২০১৪ সালে টেট দুর্নীতির অভিযোগে ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি যায় ২৬৯ জনের। সেই তালিকায় ছিলেন নন্দীগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৎকালীন শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সঞ্চিতা প্রধান দে সহ পূর্ব মেদিনীপুরের ৩০ জন। পরবর্তী কালে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে চাকরি ফিরে পান তিনি।