মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদ স্টেশন চত্বর জুড়ে নানা বেনিয়মের অভিযোগ। স্টেশন সংলগ্ন ঘোড়ার গাড়ির স্ট্যান্ড ঘিরে স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে চলল মন্ত্রীর বচসা, হল উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। প্রকাশ্যে স্টেশন মাস্টার মুকুল আনন্দকে ধমক দিতেও দেখা গেল মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষকে। ভাইরাল হল সেই ভিডিও। এমনকী, স্টেশন মাস্টারকে কার্যত ধাওয়া করতেও দেখা গেল বিজেপি কর্মীদের একাংশকে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি স্টেশন মাস্টার।

আরও পড়ুন, মিনাখাঁয় গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ, রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার পর নির্জন এলাকায় নিয়ে যায় প্রেমিক..

‘সিপিএম ও তৃণমূলের হয়ে কাজ করছো ?’ প্রকাশ্যে স্টেশন মাস্টারকে ‘ধমক’ মন্ত্রীর

বিজেপি নেতা ওই স্টেশন মাস্টারকে বলেন, তুমি কী বলেছিলে, ওইদিন ? লিজের জন্য নিয়েছি, ৩ দিন পর কাগজ দেবো। যদিও তা মানতে নারাজ ওই স্টেশন মাস্টার। স্টেশন মাস্টারের কথায়, আমি লিজের জন্য বলিনি। যদিও তখনও নিজের তোলা অভিযোগই বারবার আওড়ে যান ওই বিজেপি নেতা। মিথ্যে কথা বলতে নিষেধ করে হুঁশিয়ারি দেন। এরপরেই বিজেপি নেতা আরও বলেন, সিপিএমের হয়ে ও তৃণমূলের হয়ে কাজ করে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন ওই স্টেশনের বিরুদ্ধে। তার কথায়, ‘রেলমন্ত্রীর বেতন নিচ্ছো, আর তৃণমূলের চামচাগিরি করছো !’

পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতেও প্রায় একই ধরণের অভিযোগ উঠে আসে

সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতেও প্রায় একই ধরণের অভিযোগ উঠে আসে। সেখানেও পার্কিং নিয়ে একটি সমস্যা তৈরি হয়েছিল। মূলত পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে, সংকীর্ণ রাস্তায়, চারচাকার গাড়ি পার্ক করা ছিল একজন বিজেপি নেতার। আর সেটা দেখে ক্ষুব্ধ হন পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বিধায়ক মানব গুহ। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এটাই শেষবারের মতো সতর্কবার্তা। তার কথায় এরকম রাস্তায় গাড়ি রাখলে দোকানটাও বন্ধ হয়ে যাবে।’

হুঁশিয়ারি পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বিধায়কের

তবে এই ঘটনায় হার মানেননি গাড়ির মালিক তথা বিজেপি নেতা শ্যামল ধারা। তার সাফাই , বর্ধমানে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার জন্য গাড়িটি দোকানের সামনে রাখা হয়েছিল। তাতে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়নি। এতোযে নেতামন্ত্রী বিধায়ক গাড়ি নিয়ে ছুঠে বেড়াচ্ছেন, সেইসব গাড়ি কোথায় থাকে ? প্রশ্ন তোলেন তিনি। যদিও তারপরেও ওই স্টেশন মাস্টার বোঝানোর চেষ্টা করেন, বিনা দোষেই যে ওই বিজেপি নেতা তাঁর উপর অভিযোগ তুলছেন ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *