কলকাতা: পালাবদলের পর টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় প্রথম নির্বাচন। শনিবারের পর রবিবারও চলছে গিল্ডের ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণপর্ব সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আসেন মিঠুন চক্রবর্তী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়রা।

স্টুডিওপাড়ার ভোট নিয়ে গতকালের পর আজ ফের ক্ষোভপ্রকাশ পাপিয়া অধিকারীর। তিনি বলেন, “মিঠুনদা কিছু কিছু মানুষকে চেনেন না, তাঁরা আবার পুরনো অত্যাচার শুরু করতে পারে। অত্যাচার শুরু করলে টালিগঞ্জের বিধায়ক হিসেবে আমাকে উত্তর দিতে হবে। এখনও বহু মানুষ বাইরে রইল, তাদের এবার কার্ড দিতে হবে।”

পাপিয়া আরও বলেন, “এটা আমাদের ফেডারেশনের নির্বাচন। রাজনৈতিক কিছু নয়। কিন্তু এত ঝামেলার মধ্যে কিছু রাজনৈতিক লোককে রাখতে হয়েছে। ঠিকঠাক করেই নির্বাচন হচ্ছে। তবে ঘটনা হল বহু মানুষ বাইরে পড়ে রয়েছে তাদের কার্ড দেওয়া হয়নি। না নমিনেশনের, না ভোট দেওয়ার অধিকারের। সেগুলো মিঠুনদা যদিও কথা দিয়েছেন। কিন্তু মিঠুনদা কিছু কিছু এখানকার মানুষকে চেনেন না। তারা আবার যদি সেই পুরনো অত্যাচার শুরু করে তাহলে টালিগঞ্জের বিধায়ক হিসাবে আমাকে তার উত্তর দিতে হবে, জাস্টিফাই করতে হবে। বহু মানুষ বাইরে রইল। তাদের এবার কার্ড দিতে হবে। একটা ছেলে অসুস্থ, নার্সিংহোম থেকে ফিরতে জাস্ট আধঘণ্টা দেরি হয়েছে তাকে নমিনেশন দেওয়া হয়নি।”

যদিও পাপিয়ার অভিযোগ কার্যত নাকচ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। “৬ মাসের মধ্যে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চেহারা বদলে যাবে। যাঁদের নথি সত্যি, তাঁদের কাজে নেওয়া হবে। মিথ্যে কোনও কিছুকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সব যোগ্য ব্যক্তি কাজ পাবেন, এটা গণতন্ত্র,” টালিগঞ্জের ভোট প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে মন্তব্য মিঠুন চক্রবর্তীর। তিনি আরও বলেছেন, “সুষ্ঠু ও শান্তভাবে ইলেকশন চলছে। সকলে আনন্দে, হাসছে সকলে। যারা সত্যি তাদের নিয়ে নেওয়া হবে। তবে যাদের ভুয়ো কার্ড, মিথ্যে বলেছে, মরে গিয়েছে তার কার্ডও রয়েছে, সেই কার্ড হবে না। আমি মিথ্যেকে প্রশ্রয় দিই না।”

মিঠুন আরও বলেন, “আমি কথা দিয়েছি যে যারা বাদ পড়ল খতিয়ে দেখব। এটা দাদাগিরি নাকি! এমনি করে কে বাদ দেবে! এটা গণতন্ত্র।” যদিও পাপিয়া অধিকারী শনিবার বলেছিলেন, “মিঠুনদাকে বোঝাতে পারিনি।” মিঠুন পাল্টা বলছেন, “আমি কি বাচ্চা নাকি যে বোঝাতে হবে!”

আরও পড়ুন: রঞ্জি সেমিফাইনালে বাংলাকে ধ্বংস করা সামাদ এখন বোলিং গুরু, ইডেনে নামার আগে দিলেন হুঁশিয়ারি



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *