নেপালে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই হাই অ্যালার্টে দার্জিলিং। রাজ্যের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মিরিকে বড়সড় প্রাকৃতি বিপর্যয়ের ঘটনা ঘিরে ছড়াল আতঙ্ক। মিরিক থেকে শিলিগুড়ি, নদী তীরবর্তী এলাকায় জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। ঠিক তার আগের দিনই সিকিমেও বড়সড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। আর তারপরই এ রাজ্যেও মেঘ-ভাঙা-বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মিরিকের মঙ্গরজং চা বাগানের রাংবাং নদীতে হঠাৎ ধস নামে। তার জেরে আটকে যায় নদীর গতিপথ। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় NDRF, SDRF। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হলে বিপজ্জনক পরিস্থিতি হতে পারে। তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করেছে NDRF ।
মিরিক থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
গত বছর, ২০২৫ সালে অক্টোবরে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মুখে পড়ে সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং। অক্টোবরে প্রবল বৃষ্টিতে দার্জিলিং পাহাড়ের একাধিক জায়গায় ভূমিধস নামে। মিরিক ও সুখিয়াপোখরি এলাকায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও ঘটে । মৃতদের মধ্যে ছিল কয়েকজন শিশুও। শিলিগুড়ি থেকে পাহাড়ে যাওয়ার পথে রোহিনী রোডেও ব্যাপক ধস নামে। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কের কার্সিয়ং-এর হুইটসেল খোলার রাস্তাতেও নামে ধস। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এই রাস্তায়। শিলিগুড়ি থেকে মিরিক যাওয়ার রাস্তায় দুধিয়া সেতু ভেঙে যায়। এ বছরও কি এমন কোনও দুর্যোগ ঘটতে পারে ? আশঙ্কার প্রহর গুনছে পাহাড়। গতবছরের ভয়ঙ্কর স্মৃতিকে আরও টাটকা করেছে সাম্প্রতিক নেপাল-বিপর্যয়। বারবার আলোচনায় এ রাজ্যের পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি।