কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Budhhadeb Bhattacharjee) স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য অসুস্থ। পেটে ব্যথা নিয়ে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মীরা ভট্টাচার্য। কেমন আছেন বুদ্ধ-জায়া?

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মীরা ভট্টাচার্যর বেশ কিছু সমস্যা ধরা পড়েছে। আজ সকালে কোলোনোস্কপি হয়েছে তাঁর। ‘গতকাল সিটি স্ক্যানে ধরা পড়ে বৃহদন্ত্রের একটি অংশ পুরু। আজ সকালে কোলোনোস্কপিতেও নজরে পড়ে প্রদাহ। কেন এই অবস্থা, বোঝার জন্য আরও কিছু পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,’ বলেছেন চিকিৎসকেরা। মীরা ভট্টাচার্যর হৃদযন্ত্রেও কিছু সমস্যা রয়েছে, জানালেন চিকিৎসকরা।

ফুসফুসেও সংক্রমণ

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। পেটে ব্যথা নিয়ে, উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি মীরা ভট্টাচার্য। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন তিনি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে তাঁর।

ঠিক কী কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে মীরা ভট্টাচার্যকে? জানা গিয়েছে, শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ পেটে ব্যথা অনুভব করেন মীরা ভট্টাচার্য। শ্বাসকষ্টও শুরু হয়। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান মীরা ভট্টাচার্য। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা দেখে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। এই মুহূর্তে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও, তাঁকে এখনও হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে খোঁজ নিয়েছেন তাঁর একমাত্র সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। 

পরিবার সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন মীরা ভট্টাচার্য। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল। তবে তাতে শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি হচ্ছিল না। সেই কারণেই তিনি হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মীরাদেবীর ফুসফুসেও কিছুটা সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তবে তেমন উদ্বেগের কিছু নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এমনিতেই মীরাদেবীর হার্টে সমস্যা রয়েছে, তাঁর পেসমেকার বসানো রয়েছে।

নিরাপত্তা ফেরানো প্রসঙ্গে কী বলেছিলেন মীরা ভট্টাচার্য?

কিছুদিন আগেই মীরা ভট্টাচার্যের বাড়িতে নিরাপত্তা ফিরিয়ে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি সরকার। সেই সময়ে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মীরা ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘উনি (বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য) চলে যাওয়ার পরেই ওঁরা (নিরাপত্তারক্ষীরা) চলে গেলেন। আমাদের এখনকার মুখ্যমন্ত্রী যিনি হয়েছেন, আমার ওঁর কথা (শুভেন্দু অধিকারীর) মনে পড়ে… যখন আমি ওনাকে (বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য) আগলে বিধানসভায় রয়েছি, তখন শুভেন্দুবাবু আমাকে এসে বলেছিলেন, যদি আপনার কখনও কোনও প্রয়োজন হয়, আমাকে বলবেন। ওঁরা এসেছেন (শুভেন্দু অধিকারী-বিজেপি সরকার) এখনও ৩ মাস হয়নি। এর মধ্যে উনি (শুভেন্দু অধিকারী) ভোটের আগে যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো পূরণ করতেই এত ঝামেলা… তার মধ্যে উনি যে এটা মনে রেখেছেন… মনে রেখে আমাকে যে নিরাপত্তা ফিরিয়ে দিয়েছেন, এতে ওঁকে আমি আন্তরিক শুভকামনা জানাই। সঙ্গে শুভেচ্ছাও রইল। উনি এগিয়ে চলুন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *