কলকাতা: ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় তৃণমূলের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে এক কোটিরও বেশি টাকা। যা নিয়ে মুখ্য়মন্ত্রীর মুখে শোনা গেছিল কিংপিনের কথা। এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। নিশানা করেছেন পুলিশকে। “IC-র গাড়িতে করে টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, ভিডিও আছে”, ছবি পোস্ট করে সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন মদন মিত্র।
আরও পড়ুন, ২-৩ ডিগ্রি অবধি তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে, কালীপুজোর আগেই বড় আপডেট হাওয়া অফিসের, কী বলছে IMD ?
এদিন মদন মিত্র বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এগুলি যদি প্রকৃতভাবে তদন্ত হয়, তাহলে দেখা যাবে, সম্পূর্ণ অভিযোগ মিথ্যে।এবং কোথাও কোনও জায়গায়, কোনওভাবেই বেআইনি …উল্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি বলব, বহু এমন বেআইনি কাজ হয়েছে, যেগুলি আপনি করেছেন। প্রতিমুহূর্তে বলছেন সব কিছুর ভিডিও, সব কিছু ব্যাপার আপনার কাছে আছে, দেখাচ্ছেন না কেন ? প্রমাণ করছেন না কেন ?’
এদিন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বলেন, ‘গত ২ দিন ধরে কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি আমার অফিস ও বাসভবনের আশেপাশে নজরদারি চালাচ্ছে। তাদের ব্যবহৃত বাইকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর নীচে দেওয়া হল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা নিজেদের পুলিশকর্মী বলে দাবি করে। একজন নির্বাচিত সাংসদের অফিস ও বাসভবনের আশেপাশে রাজ্য পুলিশ কেন নজরদারি চালাচ্ছে? কার নির্দেশে এই নজরদারি চালানো হচ্ছে ও এর উদ্দেশ্যই বা কী? লোকসভার স্পিকার, কলকাতা পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি অবিলম্বে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। এই ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের শনাক্ত করা যায়।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের সরিষা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র। বুধবার, এখানেই তৃণমূলের অফিস থেকে উদ্ধার হয় এক কোটিরও বেশি টাকা। থরে থরে এভাবেই সাজানো ছিল টাকার বান্ডিল। কয়েকমাস আগে অবধিও দক্ষিণ ২৪ পরগনা মানেই ছিল তৃণমূলের গড়। আর ডায়মন্ড হারবার তো খোদ অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের লোকসভা কেন্দ্র। পুলিশ জানিয়েছে, তৃণমূলের অফিসে টাকার হদিশও মিলেছে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্তসহায়ক, ধৃত সুমিত রায়কে জেরা করেই। তাৎপর্যপূর্ণভাবে তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গেছে কিংপিনের কথা।