কলকাতা: এবারে পুজোর পরই হবে পুরসভা নির্বাচন। আর সেই নিয়ে আজ বৈঠকে বসেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানে নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই বৈঠকে কমিশন ছাড়াও ছিল একাধিক জেলার জেলাশাসক ও নির্বাচনী আধিকারিকরাও।
আরও পড়ুন: বিরিয়ানিতে ‘বিষ’! রিষড়ায় অভিযানে খাদ্য সুরক্ষা দফতর, “ফুড কালার শেষ, কী করা যাবে” বললেন দোকানদার
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও কালিম্পং; এই ৬ জেলার জেলা শাসক ও নির্বাচনী আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এই বৈঠকে ডিলিমিটেশন, আসন সংরক্ষণ, পোলিং স্টেশন, ভোট কর্মী ও ইভিএমের মতো বিষয়ে আলোচনা হয়।
এই নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী ‘কালীঘাট তৃণমূল’। ‘কালীঘাট তৃণমূল’ -এর মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলছেন, “ডিলিমিটেশন আগে ঠিক ভাবে করুক। বাস্তবসম্মত ভাবে হোক। বিজেপির সুবিধা করে দিয়ে ডিলিমিটেশন, এটা হতে পারে না। কলকাতা পুর নিগমের যা অবস্থা এই মুহূর্তে পুরভোট হলে আমরা তৃণমূল কংগ্রেস, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আবার বোর্ড গঠন করব। মেয়র আমাদের হবে। এটা বিজেপি জানে। আর সেই কারণেই এই ভোটার তালিকা এদিক ওদিক, ডিলিমিটেশনের এদিক ওদিক, একটা অস্বচ্ছ ব্যাপার, কখন কী হয়ে আসছে সেই সব শুরু হয়েছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী আমরা জিতব। কিন্তু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সেটাও সরকারকে নিশ্চিন্ত করতে হবে। মানুষের সমর্থন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।”
আরও পড়ুন: বাঁকুড়ায় লাগাতার বৃষ্টি, মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে এক বৃদ্ধার মর্মান্তিক মৃত্যু সোনামুখীতে
জেলার যে সব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের সঙ্গে কথা হয় নির্বাচন কমিশনের। বলা হয়েছে সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় সপ্তাহে চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে। আর সেই মাসেরই মাঝামাঝি সময় ডিলিমিটেশনের খসড়া প্রকাশ হবে। এ ছাড়াও ইভিএম নিয়েও কথা হয়। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকেই সব ইভিএম মিলবে।
এ ছাড়াও যে যে পোলিং স্টেশনে নির্বাচন হবে, সেখানে কী অবস্থা, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়াও ইভিএমের সঙ্গে সঙ্গে ফার্স্ট লেভেল চেকিংও চলবে। কোথায় ওই ইভিএম রাখা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়াও জানা গিয়েছে, ডিলিমিটেশনের পর যখন ডেমোগ্রাফিক তথ্য প্রকাশ হবে, সেই সময় আসন সংরক্ষণের বিষয়টিও দেখা হবে। জানা গিয়েছে, পুজোর আগে শেষ হবে আসন সংরক্ষণের কাজও। আশা করা যায় ডিসেম্বরে প্রথম সপ্তাহের আগেই হয়ে যাবে এই নির্বাচন।
এই নির্বাচনে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে হাওড়া ও কলকাতাকে। তা ছাড়া এটাও ঠিক, আজকের বৈঠক ছিল একটি প্রস্তুতি বৈঠক। এ ছাড়াও ভোটার লিস্ট নিয়েও কথা হয়। ১ জুলাই যে ভোটার লিস্ট প্রকাশ হয়েছে, সেই তালিকা অনুযায়ী হবে নির্বাচন। সেই ক্ষেত্রে অনেকের নামই বড় পড়তে পারে। এ ছাড়াও এই অক্টোবরে যাঁরা নাম তুলবেন, তাঁরাও এবারে ভোট দিতে পারবেন না।