কলকাতা: গোটা কলকাতা জুড়ে সাসপেন্ড করা হয়েছে ৪০ টি প্রতিষ্ঠানকে। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর মিষ্টির দোকানও। এদিকে পুজো আসছে, আর তার আগেই এত দোকানের লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেও। এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে একাধিক বড় বড় মিষ্টির দোকানের নাম তিনি বলেন।
পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে বলেন”আমরা ৮৯ টি প্রতিষ্ঠানে এখনও পর্যন্ত এই ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকার নোটিশ দিয়েছি। ৩৮ নম্বর ধারার অধীনে ১১২ টি প্রতিষ্ঠানে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ৪০ টি প্রতিষ্ঠানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় নাম আছে।” এর মধ্যে রেস্তোরাঁ ছাড়াও একাধিক মিষ্টির দোকানের নামও তিনি করেন। স্মিতা পাণ্ডে বলেন, “বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধরমণ মল্লিক, মিষ্টি মুখ, জগবন্ধু মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, শ্রীহরি ফুড” রয়েছে সাসপেনশনের তালিকায়।
তারপরই উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে। পুজো আসছে বলে আরও বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। পুর কমিশনার বলেন, “সব থেকে চিন্তার বিষয় হল, এখানের মিষ্টির দোকান। এই রাজ্য মিষ্টির জন্য বিখ্যাত। আমাদের এই অভিজ্ঞতাটা হল, যে মিষ্টির দোকানগুলোয় পরিবেশটা আরও পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত। সেই ভাবে তাদের গাইড করে দেওয়া হয়েছে। পুজো আসছে। আমরা মনে করছি আরও পরিচ্ছন্ন ভাবে তারা কাজটা করবে। ও আরও ভাল পরিষেবা দেবে তারা।”
Food Safety Branch is conducting surveillance in the ongoing Special Food Safety Week (01.09.2026 – 07.09.2026)
Summary Report up to 07.09.2026 :
Inspected : 5439
Major Irregularities found : 4722
Samples drawn : 2758
Sale prohibited : 98
License/Registration -… pic.twitter.com/HGc4fmzsM4— Department of Health & Family Welfare, West Bengal (@wbdhfw) September 8, 2026
কিন্তু এত মিষ্টির দোকান বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হল কেন? পুর কমিশনার জানিয়েছেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাটাই আসল। এর সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, মূল সমস্যা হল এখানে হাইজিন। কিছু দোকানে ফ্রিজের মধ্যে আরশোলাও পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
একাধিক মিষ্টির দোকানের নাম এদিন তিনি বলেন। পুর কমিশনার বলেন, “মিষ্টির দোকানের ক্ষেত্রে বড় বড় নাম আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি। গিরীশ চন্দ্র দে থেকে বলরাম মল্লিক। কালী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, শ্যামা সুইটস, মাতৃ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, নিউ কৌশিক মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, শীতলা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, মহাপ্রভু মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, রাজলক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, গোবিন্দের সুইটস, শক্তি মিষ্টান্ন ভাণ্ডার; বেশিরভাগ মিষ্টির দোকান। মূল সমস্যা হল হাইজিনের। আর ছানার মার্কেটে কিছু ফাঙ্গাস পাওয়া গিয়েছে।”