কলকাতা: বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA-কে সমর্থনকারী ২০ জন সাংসদের সাংসদ পদ আগামী দিতে থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু। তৃণমূল থেকে NCPI-তে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। আর এর মধ্য়েই এবার বিধানসভায় সংখ্য়াগরিষ্ঠ তৃণমূলের ঋতব্রত শিবিরকে নিশানা করতে শুরু করেছে কালীঘাট-তৃণমূল।
আরও পড়ুন: নেপালে হড়পা বান, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে NDRF, জারি হাই অ্যালার্ট, জল ভারতে ঢুকলেই…
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করেছেন তৃণমূল ত্যাগী সাংসদ ও বিধায়কদের। তিনি বলেন, “এই পার্লামেন্ট দিয়ে শুরু করলাম। এবার বিধানসভা। দেখছি ওদের!দেখছি ওদের! কোন গ্রুপ জানি না। দেখছি। বড় লোভ না? শুভেন্দুর চামচাগিরি করবে তো? ওদের চামচাগিরি করা ছাড়িয়ে দেব।”
যদিও ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর বিধায়ক আখরুজ্জামান বললেন, “আমরাই তো আসল তৃণমূল। উনি আবার কী বলবেন। উনি কী কখন বলেন ঠিক নেই। নিজেই তো বলেছিলেন থাকবেন না। আবার ওখানেই আছেন।”
রাজ্য়ে ভরাডুবির পর তৃণমূল এখন ছন্নছাড়া! দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। একদিকে ঋতব্রত শিবির। অন্যদিকে ‘কালীঘাট তৃণমূল’। বিধানসভায় এখন সংখ্য়াগরিষ্ঠ ‘ঋতব্রত তৃণমূল’! সংখ্য়ালঘু ‘কালীঘাট তৃণমূল’! ‘আসল তৃণমূল’ কারা?
একই সঙ্গে আবার লড়াই শুরু হয়েছে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক জোড়া ফুল নিয়েও। টানাটানি চলছে তৃণমূলের তহবিল নিয়েও। এই নিয়ে দুই তৃণমূলের লড়াই আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে! ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায় আপাতত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা থাকলেও, তা নিয়েও ঋতব্রত গোষ্ঠীর সঙ্গে কালীঘাট শিবিরের লড়াই চলছে! তবে কি দিল্লিতে যে লড়াই করছে তৃণমূল, সেই লড়াইয়ের ছাপ কি কলকাতাতেও দেখা যেতে পারে? সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, NDA-এর দ্বিতীয় বৃহত্তম দল NCPI, বলছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নিয়ে তাপস রায় বলেন, “আমি জানি না, ও কখন কী বলে, কখন কী করে। আবার কদিন পর এর বিপরীত কিছু বলে না বসে। এটার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কলকাতা উত্তরের মানুষ, বিশেষ করে তারা জানে গত চব্বিশের নির্বাচনে সুদীপ এবং তার ওই গুনসরা, পুলিশ এবং গুণ্ডারা যৌথ ভাবে, আমি প্রার্থী ছিলেম, আমার উপর ও আমার সহকর্মীদের উপর ৬০ টি ওয়ার্ডে কী করেছিল তারা।”