মুর্শিদাবাদ : উপনির্বাচনের আগে হুঙ্কার AJUP প্রধান হুমায়ুন কবীরের। নওদার বিধায়ক এবং AJUP প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের ছেলে গোলাম নবি আজাদ প্রার্থী হয়েছে রেজিনগরে। আগামী ৬ অক্টোবর সেখানে উপনির্বাচন। তার আগেই হুমায়ুন কবীর বলেছেন, ‘আমরা প্রচার করব না। ভোটে যা হবে, হবে। লুঠ করবে পুলিশ। লুঠেরও মোকাবিলা ভোটের দিন করব। তাতে ১০টা খুন হবে। আমার হলে হবে। ওদেরও হলে হবে। ওরা যেটা বলতে চাইছে, ওদের ক্যাডাররা, ওদের যারা তৃণমূলের এখানে গুন্ডাগিরি করত পুলিশ কেলিয়ে… নাম করে বলছি, সেই আতাউরের বাড়িতে কাল তাহের আর ওই বালিশ চাটাদের প্রার্থী টাকা নিয়ে প্ল্যান করে আমাদের কর্মীদের যাদের যাদের নাম বলে দিচ্ছে… রেজিনগরে আমাদের ডিসটার্ব করছে। আমরা প্রচার করব না। আমরা টেবিল চিহ্ন। প্রতিদিন আমার ফেসবুক আইডি থেকে ছাড়ব। রেজিনগরের মানুষকে অবগত করব। আর ৬ তারিখ সকাল থেকে এই পুলিশের, এই দালালদের মোকাবিলায় নামব। সারাদিনে যা হবে, হবে… ময়দানে।’
ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা, নিমেষেই দাউদাউ করে জ্বলে উঠল গাড়ি, বাড়ি ফেরার পথেই পুড়ে ছাই চিকিৎসক
কয়েকদিন আগেই একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। হুমায়ুন কবীর স্বীকার করে নিয়েছেন যে, সেখানে ২ জনের কণ্ঠস্বর শোনা গিয়েছে, তার মধ্যে একটি তাঁর। পুলিশের দাবি, এই অডিও ক্লিপে ষড়যন্ত্র করে ভোটের আগে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও পুলিশের এই দাবি অস্বীকার করেছেন হুমায়ুন কবীর। এই অডিও ক্লিপকাণ্ডে এবার থানায় হাজিরা দিতে বলে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে নোটিস ধরাল পুলিশ। সোমবার তাঁকে ডাকা হয়েছে বহরমপুর থানায়। অন্যদিকে, আগ্নেয়াস্ত্র ও জাল নোট-সহ গ্রেফতার করা হয়েছে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির রাজ্য সম্পাদক আশিক ইকবাল-সহ ২ জনকে। রেজিনগরে উপনির্বাচনের আগে এই অডিও ক্লিপ ঘিরে তোলপাড় পড়ে গেছে। প্রশ্ন উঠছে, উপনির্বাচনের আগেই কি অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে? এবার এই অডিও ক্লিপ কাণ্ডে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে হাজিরার নোটিস দিল পুলিশ। সোমবার সকাল ১১টায় বহরমপুর থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। রবিবার তাঁর শক্তিপুরের বাড়িতে গিয়ে নোটিস দিয়ে আসে পুলিশ। হুমায়ুন কবীর বাড়িতে না থাকায়, নোটিস নেন তাঁর ছেলে।