তিরুঅনন্তপুরম: ফোনের স্ক্রিনে আটকে থাকে চোখ। ঘাড় গুঁজেই বসে থাকেন সারাক্ষণ। সেই বদভ্যাসের চরম মাশুল গুনছেন মলয়ালি অ্যাডাল্ট ছবির একদা তারকা, অভিনেত্রী শকীলা। সর্বদা ফোনে মাথা গুঁজে রাখার জন্য ঘাড়ে অস্ত্রোপচার হল তাঁর। পকেট থেকে বেরিয়ে গেল লক্ষ লক্ষ টাকা। (Adult tar Shakeela)

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই বিষয়টি খোলসা করেছেন শকীলা। বি-গ্রেড মলয়ালি ছবির নায়িকা হিসেবে এককালে তুমুল জনপ্রিয়তা ছিল তাঁর। হাসপাতাল থেকে ভিডিও বার্তা পোস্ট করে জানিয়েছেন, সর্বদা ফোনে মাথা গুঁজে থাকার জন্য ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে ঘাড়ে অস্ত্রোপচার করাতে হল তাঁকে। (Excessive Phone Use)

আরও পড়ুন: মল্লিকা শেরাওয়াতকে পছন্দ টম ক্রুজের? নায়িকা বললেন, ‘আমার উপর ক্রাশ খেয়েছে, ভিডিও পাঠায় ’

শকীলা যে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছেন, তাতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। অনুরাগীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “পাশ ফিরে সারাক্ষণ বিছানায় পড়ে থাকতাম। একটানা চার ঘণ্টা ধরে গেম খেলতাম ফোনে। চা বা কফির জন্য মাঝে উঠতাম আমি। তার পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখতাম।”

শকীলা জানিয়েছেন, অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে দীর্ঘ ক্ষণ থাকার মাশুল গুনতে হল তাঁকে। তাঁর কথায়, “অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারে ঘাড়ের মূল ধমনীতে প্রভাব পড়েছে। পরিস্থিতি এমন হল যে অপারেশন টেবিলে গিয়ে পৌঁছলাম।” শিশুদের ফোন থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ক্ষণ ফোনে ভিডিও দেখতে নিষেধ করেছেন। জানিয়েছেন, তাঁর ভিডিও-ও দেখার প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুন: নসীরুদ্দিন শাহকে বেনজির আক্রমণ কঙ্গনা রানাউতের, পাশে পেলেন বলিউডের আর এক অভিনেতাকে?

মা-বাবাদের উদ্দেশে শকীলা বলেন, “প্রয়োজনেই শুধু ফোন ব্যবহার করুন। অপ্রয়োজনীয় ভিডিও এড়িয়ে চলুন অবশ্যই। আমার ভিডিও-ও। নইলে ৩ লক্ষ টাকাও বেরিয়ে যাবে, সেই সঙ্গে অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে।”

দক্ষিণের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শকীলা। মূলত বি-গ্রেড, রগরগে ছবিতেই দেখা যেত তাঁকে। সিল্ক স্মিতার পর তিনি ওই ঘরানায় বিপুল সাফল্য পান। তাঁর জনপ্রিয় ছবিগুলির মধ্য়ে ‘Kinnara Thumbikal’, ‘Thazhvara’, ‘Playgirls’, ‘Mohanayanangal’ উল্লেখযোগ্য। ২০২০ সালে তাঁর জীবনের উপর নির্ভর করে তৈরি ‘শকীলা’ ছবিটি মুক্তি পায়। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রিচা চাড্ডা। ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *