নয়া দিল্লি: আইপ্যাক কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শেষ। যদিও রায়দান স্থগিত রেখেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফাইল চুরির অভিযোগ করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। IPAC-এর ফাইল চুরির অভিযোগে CBI চেয়ে মামলা ED-র। সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শেষ। যদিও রায়দান স্থগিত রয়েছে। CBI তদন্ত হলে কোনও আপত্তি নেই, সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দিলেন সিব্বল।

আরও পড়ুন: মিষ্টিমুখ করিয়েছিলেন মমতা তৃণমূলের শোভনদেব, তারপরই রক্ষী প্রত্যাহার করা হল কাজল শেখের!

আজকের শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করেন কপিল সিব্বল। তিনি প্রথমেই বলেন, যে সিবিআই তদন্তের দাবি করেছিল ইডি, সেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ তো রাজ্য সরকার চাইলেই দিতে পারে। কারণ, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, এর আগে তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ফলে, রাজ্যের পুলিশ তাঁর অধীনে ছিল। সেই ক্ষেত্রে এতদিন প্রশ্ন ছিল রাজ্য পুলিশ কীভাবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করবে। যদিও এবার পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। এখন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নন।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে যে সরকার রয়েছে তাঁরা চাইলেই এই মামলায় সিবিআই দিতে পারেন। কোনও কেস চাইলেই তাঁরা সিবিআইকে হস্তান্তর করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে সেটাই করুক রাজ্য সরকার। তখন সুপ্রিম কোর্ট বলে, এর আগে সলিসিটার জেনারেল বলেছিলেন, রাজ্য সরকার যদি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়, তাহলে সেটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলা হবে।

আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে UPSC-র প্রস্তুতি, সঙ্গে ছিল ইউটিউবই; দ্বিতীয় চেষ্টায় IAS রাজস্থানের যতীন

অন্যদিক, আজ ইডির হয়ে সওয়াল করছিলেন এস ভি রাজু। তিনি বলেন, তাঁরা চাইছেন সুপ্রিম কোর্টই এই অর্ডার দিক, যে সিবিআই তদন্ত হবে কি না। এদিন কপিল সিব্বল তাঁদের পিটিশন উল্লেখ করে বলছিলেন, যে সেখানে বলা হয়েছে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ইডির তদন্ত চলাকালীন সিনিয়র আধিকারিকদের নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন ও সেখান থেকে তিনি ডকুমেন্টস নিয়ে চলে আসেন। কিন্তু যেহেতু পরিস্থিতি বর্তমানে বদলে গিয়েছে, তাই যেন রাজ্য সরকারই এটাতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। সিব্বলের প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টকে কেন বাধ্য করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *