বিজেন্দ্র সিংহ, কলকাতা: ‘জোড়াফুল’ কার? শুনানির পর ২ তৃণমূলের কাছে নথি চাইল কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছে এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২ তৃণমূলের কাছে নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে। প্রয়োজনে ১৭ সেপ্টেম্বর ফের শুনানি করতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন, নিম্নচাপের জের, ফিরল হলুদ সতর্কতা, দুপুরের পরেই ঝেঁপে বৃষ্টি ? বড় আপডেট হাওয়া অফিসের
গতকাল প্রথম শুনানি ছিল। সেখানে দাবি, পাল্টা দাবি, কিছু এক্সট্রা ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে। কালীঘাট তৃণমূলের তরফেও নতুন ডকুমেন্টে জমা দেওয়া হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে দুই শিবিরের কী বক্তব্য, সেটা লিখিত আকারে জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ তারিখ তিনটের আগে এটা জমা দিতে হবে, ইমেল বা বাইপোস্ট তাঁরা পাঠাতে পারেন কমিশনের সদর দফতরে। যদি ডকুমেন্টস আসার পর কমিশন প্রয়োজন মনে করে, সেক্ষেত্রে আবার আগামী ১৭ তারিখ, কমিশন তাঁদেরকে হিয়ারিংয়ের জন্য ডাকবে। এর জন্য প্রস্তাবিত নাম পাঠাতে পারে, সেটাও জানিয়ে দিয়েছে।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের জন্য, আগামী ১৬ তারিখ নমিশনের শেষ তারিখ। সেক্ষেত্রে তার আগে কোনও মিমাংসা না হয়, তখন কিন্তু নির্বাচন কমিশন সিম্বলটাকে ফ্রিজ করে, দুই পক্ষকেই আলাদা সিম্বল দিতে পারে। এখনও কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়নি, হয়তো কাল বা পরশু সেটা জানা যাবে। কিন্তু কালীঘাট তৃণমূল মনে করছে, যেহেতু ১৬ তারিখের পর ডেট পড়ছে, তাই এখন সিম্বল তারা ব্যবহার করতে পারবেন। এটা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। এবং ইন্টারিম অর্ডার আপাতত আসছে না। তবে দেখতে হবে, আগামীকালের মধ্যে ইলেকশন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ।
এদিন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়..এবার প্রয়োজন হবেই এরকম তো কোনও বিষয় নেই, ১৬ তারিখ আমাদের ডকুমেন্ট যদি কিছু পাঠাবার থাকে, তাহলে পাঠিয়ে দেব।ওরা পাঠাবেন। তারপর সেগুলি দেখে যদি, নির্বাচন কমিশন মনে করে, ১৭ তারিখ প্রয়োজন আছে, ডাকবেন। ডাকলে যাবো। কিন্তু মিটিং ডাকা হয়নি, আমি নেমেই, চারিদিক থেকে লোকে ফোন করছিলেন, যে মিটিং ডাকা হয়েছে, তারপর দেখলাম লেখা রয়েছে, ইফ রিকোয়ার্ড। বুঝতে কোথাও ভুল হয়েছে। কেউ ইন্টারপ্রিটেট করলে,তার মতো ইন্টারপ্রিটেশন করতে পারেন, কোনও সমস্যা নেই। শুভেচ্ছা রইল, আগাম লালগোলাপ রইল।’
অপরদিকে কুণাল ঘোষ বলেন, নির্বাচন কমিশনে যে বিষয়টা চলছে, অর্থাৎ এই প্রতীক ইত্যাদি , এই বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। তার কারণ হচ্ছে, এই বিষয়টি বিবেচনাধীন, এবং সেই বিষয়ে আমাদের দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, তাঁরা গোটা বিষয়টি দেখছেন। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।’