নয়াদিল্লি: ঘূর্ণিঝড় অর্ণব আছড়ে পড়ার ২ দিন পরও বিপর্যস্ত দক্ষিণ ওড়িশার একাংশ। দক্ষিণ ওড়িশার গঞ্জাম ও গজপতি জেলার পরিস্থিতি ভয়াবহ। ২ জেলায় জাতীয় সড়কের একাধিক জায়গায় জমে আছে ৪ থেকে ৫ ফুট জল।

আরও পড়ুন, সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন প্রত্যাহার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের, দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, “আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর..”

দক্ষিণ ওড়িশার গঞ্জাম ও গজপতি জেলার পরিস্থিতি ভয়াবহ

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব আছড়ে পড়ায় ভয়াবহ অবস্থা দক্ষিণ ওড়িশার একাংশে।  ওড়িশার বিভিন্ন নদী প্লাবিত, রাজ্যের বহু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্লাবিত জঙ্গল এলাকা। যার দরুণ প্রাণ বাঁচাতে লোকালয়ে বেরিয়ে এসেছে বহু বন্যপ্রাণী। হেলিকপ্টারে বহু দুর্গত মানুষকে প্লাবিত এলাকা থেকে উদ্ধারের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে।

ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা

ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বহু বাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। অন্ধ্রপ্রদেশ, পুদুচেরির পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পড়ছে ওড়িশাতেও।ঝড়ের দুরন্ত ঘূর্ণি। প্রকৃতির রুদ্র-রূপ দেখল অন্ধ্রপ্রদেশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের মাঝ বরাবর আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব। দুর্যোগের জেরে অন্ধ্রপ্রদেশে প্রাণ গেছে কয়েকজনের। ঝড়ের তাণ্ডবে মাটিতে মিশে গেছে বহু বাড়ি।শুধু অন্ধ্রপ্রদেশ নয়, ঘূর্ণিঝড়ের ঝাপটায় লন্ডভন্ড ওড়িশা, পুদুচেরি ও তামিলনাড়ুর একাংশও। 

অর্ণবের দাপটে কার্যত তছনছ 

মঙ্গলবার রাত ১.৩০ নাগাদ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের মাঝ বরাবর শুরু হয় ‘অর্ণবে’র ল্যান্ডফল। তখন ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটার।অন্ধ্রপ্রদেশ ও পুদুচেরিতে প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টিপাত।ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের দাপটে কার্যত তছনছ হয়ে যায় অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশ।অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় বহু গাছ ভেঙে পড়েছে। নাগাড়ে বৃষ্টির কারণে জল জমে যায় বিস্তীর্ণ এলাকায়।
 
 NDRF IG   নরেন্দ্র সিং বুন্দেলা বলেছেন, NDRF-এর ৩৯টি দল ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য়ে মোতায়েন রয়েছে। যার মধ্য়ে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়, ঝাড়খণ্ড, ইয়ানাম, আন্দামান নিকোবর আর তেলঙ্গানা। ‘অর্ণব’-এর প্রভাব পড়ে প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশাতেও।পুরী থেকে গোপালপুর, ফুঁসতে থাকে সমুদ্র।ভি. কীর্তি ভাসান, ওড়িশা গঞ্জাম কালেক্টর বলেন,আমাদের ১১০টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১,০২৯ টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। ৬,১৭০ টি মানুষকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।  গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত সবচেয়ে বেশি হয়েছে গঞ্জামে। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে দক্ষিণ ওড়িশায়।ঝাড়খণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *