কলকাতা: শহর থেকে জেলা, দিকে দিকে বামেদের বুকস্টলে হামলা। দিকে দিকে বামেদের বুকস্টলে হামলা-ভাঙচুর। বামেদের অভিযোগের তির বিজেপির বিরুদ্ধে। বামেদের বুক স্টলে হামলা, তীব্র আক্রমণে খোদ অর্থমন্ত্রী থেকে RSS-র নেতা।
বামেদের বুক স্টলে হামলা, সমালোচনায় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। এবিপি আনন্দকে তিনি বলেছেন, “কোনও মতেই ঠিক হচ্ছে না। প্রথম কথা, বাক্য স্বাধীনতা। ফ্রিডাম অফ থট। তার চেয়েও বড় জিনিস হচ্ছে, বামেরা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী নয়। এখন তারা প্রাসঙ্গিকতার জন্য লড়ছে। পুজোতে লাল ঝাণ্ডাওয়ালা স্টল আমি ৩০ বছর ধরে দেখছি। মার্কস, লেনিন নিয়ে খুব একটা আকর্ষণ যে আছে তা তো নয়। সিপিএম যদি স্টল করতে চায় করুক, সমস্যা কোথায়?”
বুকস্টল ভাঙা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, “সে লেনিনের বই হোক, মার্কসের বই হোক, এটা ঠিক না। সিপিএমের স্টল ভাঙায় আমি লজ্জিত। কেউ কেউ বলে ওরা নাস্তিক। নাস্তিক হলে কী হয়েছে? নাস্তিকতাও হিন্দু ধর্মের অঙ্গ, তার জন্য গুন্ডামি সমর্থন নয়।” যোগ করেছেন, “আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে বইয়ের একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। আমি একটাই পুজো করি, সেটা সরস্বতী পুজো। ওরা প্রচার করতে চাইছে করুক না। এটা অনেকটা চ্যানেলের মতো। ৩০টি চ্যানেল থাকতে পারে, রিমোটটা তো আপনার হাতে। ওদের বই পড়বেন কী পড়বেন না সেটা আপনার ব্যাপার।”
CPI(M) West Bengal State Secretary Mohd Salim visited the bookstall in Jadavpur that the BJP administration had attempted to demolish. The full force of bulldozers, police, armed police personnel and BJP-RSS goons who had arrived to destroy the bookstall was forced to retreat in the face of people’s resistance.
— CPI (M) (@cpimspeak) October 19, 2026
যারা হামলা চালাচ্ছে, তাদেরও কড়া নিন্দে করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বলেছেন, “আমাদের দলের নাম করে হামলা করা হচ্ছে। এরা কারা? কে এদের দায়িত্ব দিয়েছে এসব করার? আমরা ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছি। লালকৃষ্ণ আডবাণী যেটা বলতেন, আমাদের দল হল পার্টি উইথ আ ডিফারেন্স। নাাস্তিক হয়েও তো বামেরা পুজোর স্বীকৃতি দিচ্ছে। বই কি ময়লার মধ্যে ফেলা ঠিক? মে ৪ তারিখের পর থেকে যে গুন্ডামি শুরু হয়েছে সেটাই হচ্ছে।”
বামেদের বুক স্টলে হামলা, সমালোচনায় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।