নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার জামিন। ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জামিন দিল আদালত। দিল্লির তিহাড় জেল থেকে ছাড়া পেলেন তাঁরা।আদালতের নির্দেশ আসতেই, সোশাল মিডিয়ায় তাদের শুভেচ্ছা জানান অরবিন্দ কেজরিওয়াল ।

আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ ? দক্ষিণবঙ্গের এই ৬ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির আশঙ্কা, দশমীতে বড় আপডেট IMD-র

 ১৩ অক্টোবর গ্রেফতার, ২১ অক্টোবর জামিন, প্রায় ৯ দিন পর তিহাড় জেল থেকে ছাড়া পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির ২ নেতা,সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার দিল্লির স্পেশ্যাল এগজ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেন। মামলাকারীর আইনজীবী অভীক চিমনি বলেন, ২ দিনের জেল জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ। SEM আদালত আমাদের আজ আবার হাজির হতে বলেছিলেন। আমরা সেই মতো আদালতে হাজির হই। আদালত সব সত্য়তা যাচাই করে, মুক্তির নির্দেশ দেয়।
 
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ যন্তরমন্তরকে হঠাৎই বিক্ষোভ স্থল থেকে বাদ দেওয়ার পর, ১৩ অক্টোবর জাতীয় পতাকা হাতে লোহার গেট টপকে সেখানে ঢুকেছিলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। ১৪ অক্টোবর থেকে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার ঠাঁই হয় তিহাড় জেলে। পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত শেষে ফের হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

বুধবার সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদালতে হাজির করানো হয় সৌরভদের।আদালতের নির্দেশ আসতেই, সোশাল মিডিয়ায় তাদের শুভেচ্ছা জানান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এক্স হ্য়ান্ডেলে তিনি লেখেন, আশুতোষ ও সৌরভ জামিন পাওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন। এভাবেই দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যান। পুরো দেশ আপনাদের সঙ্গে আছে।

ভোটচুরির অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। এই ইস্যুতে এককাট্টা হয়েছে বিরোধী জোট INDI।রাস্তায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ বিভিন্ন ছাত্র, যুব, মহিলা সংগঠন। শুক্রবারও ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ছাত্র-যুবদের একাংশ কনট প্লেসে পুলিশের সামনেই জাতীয় পতাকা উড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। দাবি তোলেন জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের। 

যদিও বিজেপি দাবি, এই আন্দোলনের কোনও জন সমর্থন নেই। বিজেপি রাজ্য সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য বলেন, কিছু অপ্রাসঙ্গিক রাজনৈতিক শক্তি, যাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং যখনই তারা নির্বাচনে যাচ্ছেন তখনই পরাজিত হচ্ছেন। এই আন্দোলনের সঙ্গে কোথাও কোনও জন সমর্থন নেই। এই আন্দোলনের জনভিত্তি নেই। ভিড়তন্ত্র কোনওদিন গণতন্ত্রের জায়গা নিতে পারে না।’

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *