কলকাতা: চোরবাগানে পুজো প্যান্ডেলে বিপর্যয়। মৃত ১৯, আহত ১৪ জন। চোরবাগান বিপর্যয়ের পর পুজোর দায়িত্বে আনা হল ৭ IPS অফিসারকে। 

কলকাতার পুজো আগে সামলেছেন, এমন ৭ IPS অফিসারকে আনল রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন দফতরে থাকা ৭ IPS অফিসারকে কলকাতায় আনল রাজ্য। পুজোর দায়িত্বে IPS মুরলীধর, IPS রূপেশ কুমার। পুজোর দায়িত্বে আসছেন IPS মিরাজ খালিদ, তরুণ হালদার, প্রিয়ব্রত রায়, দীপক সরকার।

চোরবাগান বিপর্যয়ের পর ১৯ মৃত্যুর দায় কার, উঠছে প্রশ্ন। হাসপাতালে পরিজনদের হাহাকার। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই ধরপাকড়, গ্রেফতার ২ উদ্যোক্তা-সহ ৭ জন। ভবানী ভবনে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক মুখ্য়মন্ত্রীর।

জেলার বড় পুজোগুলিতেও ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনকে বলা হয়েছে, মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিতে। চোরবাগান কাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণ খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠন। প্যান্ডেলে ঘুরে দেখছে বিশেষ কমিটির সদস্যরা, প্রয়োজনে প্যন্ডেলেই সংশোধন। ভিড় নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবস্থা, সব থানাকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা কলকাতার পুলিশ কমিশনারের।

চোরবাগানের কাছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা। আহতরা অ্যাপোলোতে চিকিৎসাধীন, হাসপাতালে অমিত শাহ, রাজ্যপাল আর এন রবি। চোরবাগানের এন্ট্রি ও এক্সিট গেটের দায়িত্বে ছিলেন ২জন DC র‍্যাঙ্কের অফিসার। ভিড় সামলাতে ইন্সপেক্টর ও AC র‍্যাঙ্কের অফিসার ছিলেন, দাবি পুলিশ সূত্রে।

 

গোটা ঘটনার পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি হতবাক ও দুঃখিত। মা দুর্গার কাছে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে পোস্ট প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।  

মুখ্যমন্ত্রী এবিপি আনন্দকে বলেছেন, “মাইকে পুজো কমিটির ঘোষণা পর হুড়োহুড়ি শুরু হয়। প্রাইভেট সিকিউরিটির লোকেরা বাঁশি বাজিয়ে দেয়। অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা, যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে। রাজ্য সরকার যা করার করবে, আমাদের টিম কাজ করছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *