কলকাতা: পেরিয়ে গিয়েছে ৫ ঘণ্টা, এখনও ভবানী ভবনে রয়েছেন বিধায়কল পরেশরাম দাস। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় অশান্তির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে FIR করা হয়। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক অভিযোগ ছিল ও মামলা হয়েছিল অস্ত্র আইনে। আর সেই মামলাতেই ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে তলব করে পুলিশ। আজ ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১ টার সময় সিআইডির সেই তলবে সাড়া দিয়ে ভবানী ভবনে হাজিরা দেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক।
আরও পড়ুন: বছরে ৫০ হাজার টাকা প্রিমিয়াম দিচ্ছেন, কত টাকা কাটে বিমার জন্য আর কত টাকা হয় বিনিয়োগ?
অন্যদিকে হাজিরা দেওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন তিনি। সেখানে তিনি লেখেন, “আলবিদা ক্যানিং, ফিরে দেখা হবে, কথা হবে।” এদিন ভবানী ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে পরেশরাম জানান, আগে বিভিন্ন অসুবিধা থাকায় হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। ভবানী ভবনে ঢোকার সময় কোনও কথা বলতে চাননি তিনি। শুধু বলেন, “ফিরে আসি, কথা বলব।”
বরাহনগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ এদিন সাংবাদিকদের সামনে একই সঙ্গে তুলোধনা করে শওকত মোল্লা ও পরেশরাম দাসকে। তিনি বলেন, “ও একটা পাকা ক্রিমিনাল ওখানকার। ও শওকত মোল্লা আল্ট্রা লাইট। আর কী বলব। আমি ওখানের বিজেপির দায়িত্বে ছিলাম। পঞ্চায়েত নির্বাচনের নমিনেশনের সময়। আমাদের উপর হামলা করেছে। সে ভয়ঙ্কর হামলা। এখন ও ভাইপোর বেশি কাছাকাছি হতে পারেনি। শওকত বেশি কাছাকাছি হয়ে গিয়েছিল। একই সঙ্গে ও নামের অ্যাডভান্টেজ পেত। এর নামের পিছনে আবার রাম যুক্ত আছে বলে ভাববেন না যে আমাদের অ্যাডভান্টেজ পাবে। ও জেল খাটবেই।”
আরও পড়ুন: কোনও ব্যালেন্স ছাড়াই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, BSBD অ্যাকাউন্টে মিলবে কী কী সুবিধা?
ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক সম্পর্কে বলতে গিয়ে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “পরেশরাম দাস এমন কেন লিখলেন, বলতে পারব না। ‘তেরি দুনিয়া সে হো কে মজবুর চলা ক্যানিং…’, এসব দুঃখ দুঃখ গান, এসব আমি কী করে বলব, উনি কেন এই সব করেছেন। মানে হঠাৎ একজন বিধায়ক একটা পোস্ট করে বসলেন। আর তিনি তো দীর্ঘদিনই ওখানে ছিলেন। ওই এলাকায়। তো হঠাৎ, বিদায় ক্যানিং উনি কেন পোস্ট করেছেন, আমি এসব কথার কোনও জবাব দেব না।”