বীরভূম: বোলপুরে ভরসন্ধ্যায় গুলি করে খুন। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে মাথায় গুলি করে বিজেপি নেতাকে খুন করল দুদুষ্কৃতীরা। বীরভূম জেলার ত্রিশুলাপট্টিতে খুন হলেন বিজেপির বুথ সভাপতি। নিহতের নাম চন্দন ভল্লা। যিনি বোলপুরের ১১নং ওয়ার্ডের বিজেপির বুথ সভাপতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।                 

রাস্তায় পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বাইকে করে এসে এই হামলা চালায়। ঘটনার সময় ২ দুষ্কৃতীর মুখ ঢাকা ছিল বলে দাবি করেন এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, রাজনৈতিক শত্রুতার কারণেই হত্যা করা হয় চন্দন ভল্লাকে। তবে ঠিক কী কারণে এই হত্যা, রাজনৈতিক হিংসা ছাড়াও নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি পুলিশের, খতিয়ে দেখা হচ্ছে CC ক্যামেরার ফুটেজও।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ধ্যায় হঠাৎ একটি ফোন আসে এবং তাঁকে বাইরে যেতে বলা হয়। ত্রিশুলাপট্টি এলাকায় দুষ্কৃতীরা তাঁর পথ আটকায়। তারপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর মাথায় গুলি করে। ঘটনার পর স্থানীয়রা বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।                            

উল্লেখ্য, শনিবারও খড়গপুরে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। খড়গপুরের হাতিহল্কা গ্রামের ঘটনা। নিহত বিজেপি কর্মীর নাম সামশের বিশ্বাস। মারধরের সিসি ফুটেজ ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। মারধরের ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও দুই বিজেপি কর্মী। জখম বিজেপি কর্মীদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার সিসি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।                        

এ প্রসঙ্গে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সন্দীপ করণ বলেছিলেন, “সকালে শুনলাম যে, একজন খুন হয়ে গেছে। পরে জানতে পারি সে জাফর বিশ্বাসেরই ভাগ্নে। ওখানে আক্রমণ করতে, মারতে কিছু লোক গিয়েছিল। জাফরদা কোনও রকমে বেরিয়ে যায়। তার ভাগ্নে-কে ওই অবস্থায় ওখানে মারধর করে এবং মার্ডার করেছে। সেটাই শুনলাম। ৪ তারিখের পর সবাই বলছে বিজেপি। জাফর বিশ্বাস পুরোনো কর্মী।” 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *