রাজনীতির কানাগলিতে টুলু মণ্ডল ও অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা কম নেই। বীরভূমের ‘পাথরসম্রাট’ নকল DCR-কাণ্ডে এবার গ্রেফতার করা হল সায়গল হোসেন। যিনি আবার অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী। শনিবার সায়গলের ফ্ল্য়াটে ১৬ ঘণ্টা তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারপরই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তবে একদিকে যখন গ্রেফতার হলেন সায়গল। সেই সময় পুলিশের স্ক্যানারে টুলু মণ্ডলের দুই শ্যালক। শনিবার তল্লাশি চলল তাদের বাড়িতেও।

আরও খবর : “ঘরের লোক হারালাম…”, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার

সম্পূর্ণ খবর : বীরভূমের রামপুরহাটে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু। বাড়ির সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে রবিবার সকালে উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ। ইতিমধ্যেই আশিসের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে আশিস ছিলেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার। রামপুরহাটের পাঁচ বারের বিধায়ক। তবে ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন তিনি। 

তৃণমূলের প্রবীণ নেতা। ২০০১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রামপুরহাটের বিধায়ক। নিজের রাজনৈতিক কর্মকালে মমতার মন্ত্রিসভায় একাধিকবার ঠাঁই পেয়েছেন তিনি। স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তবে এর চেয়ে বড় কোনও দায়িত্ব পাননি তিনি। অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমের সভাপতি থাকাকালীন আশিস ছিলেন তাঁর সঙ্গী। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের থেকে বেশ দূরত্ব তৈরি করেন তিনি।  জুন মাসে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দেন। ছাড়েন বীরভূমের কোর কমিটির সদস্যপদও। জুলাই মাসে বৈঠক করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। আর তার ঠিক পরেই ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে বৈঠক অনুব্রতর এবং কালীঘাটের থেকে সরে দাঁড়ানো। তবে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় থেকেছেন একান্তে। শুধু তৃণমূল নয়, রাজনীতিতেও বিশেষ সক্রিয় হতে দেখা যায়নি তাঁকে।

এই ঘটনায় মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙে পড়েছে প্রাক্তন বিধায়কের পরিবার। চোখে জল নিয়ে তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজনীতির জন্যই আমরা আজ জেঠুকে হারালাম। জোর হাত করে বলছি, এই রাজনীতিতে আমরা আর নেই।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *