কলকাতা: বিগ বস বাংলার ঘরে ক্যাপ্টেন্সি টাস্ক ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবার আরও জটিল আকার নিল। টাস্ক চলাকালীন নন্দিনীর একটি মুভের জেরে চোট পান সৃজলা গুহ। ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নন্দিনীকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর বাবা সন্দীপ দত্তের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে প্রতিযোগীদের কাঠের ঘোড়ার উপর বসে থাকতে হচ্ছিল। খেলার শুরুতেই শারীরিকভাবে আঘাত করা বা অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু টাস্ক চলাকালীন নন্দিনীর একটি মুভের পর কাঠের ঘোড়া উল্টে মাটিতে পড়ে যান সৃজলা। ঘটনায় তিনি ব্যথা পান এবং তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকদের একাংশ নন্দিনীর আচরণের সমালোচনা করেন। অনেকে দাবি করেন, খেলায় প্রতিযোগিতা থাকলেও শারীরিক নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়। অন্যদিকে, নন্দিনীর প্রচার টিমের তরফে ঘটনাটিকে অনিচ্ছাকৃত বলে উল্লেখ করে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, সৃজলাকে আঘাত করার উদ্দেশ্য নন্দিনীর ছিল না।

Bigs Boss: নন্দিনীকে নিয়ে 'গর্বিত' বাবা, সৃজলার চোট নিয়ে সোশালে মুখ খুললেন, ক্ষুব্ধ নেটপাড়া

এর মধ্যেই নন্দিনীর বাবা সন্দীপ দত্ত সমাজমাধ্যমে মেয়ের সমর্থনে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়নি এবং এটি একটি গেমের পরিস্থিতির মধ্যেই ঘটেছে। মেয়ের জন্য তিনি গর্বিত বলেও জানান। এই মন্তব্যের পরেই বিতর্ক আরও বাড়ে।

নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, কোনও প্রতিযোগিতামূলক টাস্কে অনিচ্ছাকৃত ঘটনা ঘটলেও তার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া নিয়ে কি আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত ছিল না? আবার কিছু দর্শক মনে করছেন, বিগ বসের মতো শো-এর টাস্কে প্রতিযোগিতার উত্তেজনায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে এবং ঘটনার উদ্দেশ্য ও ফলাফল—দুই দিকই বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এদিকে সৃজলার টিম জানিয়েছে, অভিনেত্রীর চোট রয়েছে, তবে তা গুরুতর নয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি আবার বিগ বসের খেলায় ফিরবেন বলেই আশা করছে তাঁর টিম।

তবে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে এই বিতর্ক যে এখনই থামছে না, তা স্পষ্ট। নন্দিনীর বাবার মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা—খেলার কৌশল আর প্রতিযোগীর নিরাপত্তার সীমারেখা ঠিক কোথায়?                                      



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *