কলকাতা: মা-মেয়ের সংসারে, এখন দক্ষিণ কলকাতার ফ্ল্যাটে একা থাকছেন মা। মেয়ে রয়েছে মুম্বইতে, বিগ বস বাংলা (Big Boss Bangla)-র ঘরে। প্রত্যেক এপিসোডেই মেয়েকে দেখছেন মা, কিন্তু তাতে কি আর মিস করা কমে যায়? খাওয়া নিয়ে সমস্যা থেকে শুরু করে, ঘরোয়া রাজনীতি.. সমস্ত কিছুর সঙ্গেই লড়াই করছেন, তাপস পাল কন্যা, সোহিনী পাল (Sohini Paul)। কলকাতার ফ্ল্যাটে কীভাবে সময়ে কাটছে মা, তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পালের (Nandini Paul)? খোঁজ নিল এবিপি লাইভ বাংলা (ABP Live Bangla)। 

বিগ বসের ঘরে মেয়ে সোহিনী, কলকাতায় কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন মা নন্দিনী?

আবহাওয়া বদলের জেরে, কয়েকটা দিন অসুস্থ ছিলেন নন্দিনী। আজ তুলনামূলক ভাল রয়েছেন তিনি। ধরা গলাতেই ফোন তুলে, এবিপি লাইভ বাংলার প্রশ্ন শুনে নন্দিনী বললেন, ‘আমি আর সোহিনী, ২ জনেই একা সময় কাটাতে ভীষণ ভালবাসি। কখনও যদি ভীষণ একা লাগে, আমি সোহিনীর মতোই পথপশুদের নিয়ে থাকি, বৃদ্ধাশ্রমে চলে যাই, সেখানকার বাসিন্দাদের গল্প পড়ে শোনাই। তাঁদের সঙ্গে সময় কাটাই। ফলে একা লাগছে না একেবারেই। তবে মেয়েকে মিস করছি না, এটা বললে ভুল হবে। সোহিনী কফি খেতে ভীষণ ভালবাসে, ওটাই এর একমাত্র নেশা। বুঝতে পারছি ওখানে ওকে কফিটা নিয়েও লড়াই করতে হচ্ছে। ও চলে যাওয়ার পরে, কফিটা আম আর খেতে পারছি না।’

মেয়ের খেলা কেমন লাগছে মায়ের? নন্দিনী বলছেন, ‘শুধু মা হিসেবে নয়, আমি তো খেলাটা দেখি বিগ বসের প্রাক্তন প্রতিযোগী হিসেবেও। সিজন ১-এ আমি বিগ বসের প্রতিযোগী ছিলাম। ৯ সপ্তাহ অবধি ছিলাম ওই বাড়িতে। তবে তখনকার বিগ বস আর এখনকার বিগ বসের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য অনুভব করছি। এবারের সিজন নিয়ে আমার অনেক বক্তব্য রয়েছে, তবে এখনই কিছু বলতে চাই না। সোহিনী ওই বাড়ির মধ্যে রয়েছে, খেলছে আর ওকে নিয়ে আমি গর্বিত। আমি জানি, সোহিনী কখনও নিজের ব্যক্তিত্ব, নিজের শিক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে খেলবে না। ও ঠিকটাকে ঠিক বলতে জানে। আসলে দিনের শেষে আয়নার সামনে দাঁড়াতে পারাটা খুব জরুরি, এটা আমরা বিশ্বাস করি। বিগ বস সোহিনীকে একটা গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ দিয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তবে বিগ বসে সোহিনীর জেতা বা হারাটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার একটাই চাওয়া, সোহিনী যখন ওই ঘর থেকে বেরোবে, ও যেন মানুষের ভালবাসা পেয়ে বেরোয়। সোহিনী অনেক মানুষের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে ওই বাড়িতে গিয়েছে, জীবনে অনেক অমসৃণ পথ পেরিয়েছে। ওর মাথায় একটা আশীর্বাদের মুকুট রয়েছে সবসময়। আমার কাছে খেলায় হারা বা জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, সোহিনী যেন মানুষের ভালবাসা পায়, এটুকুই চাওয়া।’

 

আরও পড়ুন: Anirban-Rudranil: ‘সনাতনী’ বিরোধিতা পেরিয়ে, পর্দা ভাগ করবেন অনির্বাণ-রুদ্রনীল! কী বলছেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *