বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গার  ভবিষ্যদ্বাণীর সবসময়ই থাকে আলোচনায়। বুলগেরিয়ায় জন্ম। কোনও ভাবে তিনি হারিয়েছিলেন দৃষ্টি। তারপর অন্তরের দৃষ্টি দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে নাকি যা যা বলেছেন, তা মিলে গিয়েছে হুবহু । বিশ্বের বড় বড় বিপর্যয় নিয়েও নাকি নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তিনি। বাবা ভাঙ্গা অন্ধ ছিলেন, কিন্তু মৃত্যুর আগে তিনি এমন কিছু কথা বলেছিলেন যা আগামী দিনেও চিন্তা বাড়াতে পারে।

২০২৬ সালের অর্ধেক সময় পের করে এসেছি আমরা।  সেপ্টেম্বর  নিয়ে বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাস ইন্টারনেটে নতুন করে আলোচনায়।  বাবা ভাঙ্গার অনুসারীরা বিশ্বাস করেন , এই বছরের শেষ কয়েকটি মাস পৃথিবী এবং মানব সভ্যতার জন্য অত্যন্ত উত্তাল  সময় হতে পারে। 

বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, তাঁরা  দাবি করেন, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রাকৃতিক ভারসাম্য সম্পূর্ণরূপে বিঘ্নিত হতে পারে। এই অনুমান অনুসারে, বিশ্বের প্রায় ৭ থেকে ৮ শতাংশ স্থলভাগ হঠাৎ করে বিধ্বংসী প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক ও ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প , সুপ্ত আগ্নেয়গিরির আকস্মিক অগ্ন্যুৎপাত এবং অপ্রত্যাশিত বন্যা। এই দাবিগুলোতে বলা হয়েছে,  এই ধারাবাহিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশ্বজুড়ে বহু জনবহুল শহরের মানচিত্র পরিবর্তন করে দিতে পারে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। 

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি বড়  সঙ্কটের পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছেন নাকি বাবা ভাঙ্গা। যদি এর কোনও প্রামাণ্য নথি নেই। তবে আলোচনায়  রয়েছে বেশ কিছু বিষয়। যেগুলিতো ভাইরাল বলা চলে। 

বাবা ভাঙ্গা নাকি ইঙ্গিত করে গিয়েছেন, ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে  বিরোধ এই সময়ে চরমে পৌঁছাতে পারে। ক্রমবর্ধমান সীমান্ত উত্তেজনা এবং কূটনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বকে একটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। সংঘাত ডেকে আনতে পারে  বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত।  তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে।  এই বৈশ্বিক সংঘাত কয়েকটি শক্তিশালী দেশের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যেতে পারে, যা সারা বিশ্বে অস্থিতিশীলতার আবহ তৈরি করবে।  

বাবা ভাঙ্গার দাবি অনুসারে, এই বছরের শেষ নাগাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠবে যে মানুষের পক্ষে একে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। যন্ত্রগুলো নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে শুরু করবে এবং মানুষ তাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। এছাড়াও, বিশ্বের অনেক বড় ব্যাংকের দেউলিয়া হয়ে যাওয়া একটি মারাত্মক অর্থনৈতিক মন্দার কারণ হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, এগুলো শুধুই ভাইরাল দাবি। এগুলির সত্যতা যাচাই করে দেখেনি এবিপি আনন্দ। 

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *