কলকাতা: প্রায় ১ কোটি ৪৬ লক্ষের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণার টাকা গিয়েছে। যেখানে ধর্মের কোনও ভেদাভেদ করা হয়নি। প্রায় ১৯ লক্ষ মুসলিম পরিবারও অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবারই অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্য সরকারকে। অভিযোগ করেছেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মানুষকে প্রতারিত করা হয়েছে। সেই অভিযোগ উড়িয়ে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট দিলেন শুভেন্দু।

ফেসবুক লাইভে এসে সোমবার মমতা বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি ক্ষমতায় এলে অন্নপূর্ণা যোজনা দেবে। তখন কোনও শর্ত ছিল না। মানুষকে প্রতারিত করা হয়েছে। প্রজেক্ট করতে গেলে টাকার অঙ্ক জমা রাখতে হয়। মা-বোনেদের আত্মনির্ভরতার জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছিলাম। বিজেপি ঠিক করবে কার যোগ্যতা আছে, কার যোগ্যতা নেই?’

যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নবান্ন থেকে সোমবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ১ কোটি ৪৬ লক্ষের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণার টাকা গিয়েছে। প্রায় ১৯ লক্ষ মুসলিম পরিবারও অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে।’ সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়া নিয়ে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে বিঁধেছেন শুভেন্দু। ‘বিজেপি, হিন্দু, মতুয়া করার অপরাধে কী করেছেন সবাই জানে,’
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মমতাকে পাল্টা আক্রমণে শুভেন্দু অধিকারী। যোগ করেছেন, ‘ইতিমধ্যেই সাড়ে ৪ লক্ষ মহিলা অভিযোগ জানিয়েছেন। সব জায়গাতেই তো যোগ্য-অযোগ্য থাকে। উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কেন ২৫ থেকে ৬০ করেছিলেন? ফেসবুকেই থাকুন, রাস্তায় যাতে বেরোতে না পারে ব্যবস্থা করব।’

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কয়েকদিন আগে ভবানীপুরে এক অনুষ্ঠানে শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘আরও যদি ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। এটাও কথা দিয়ে গেলাম, যারা এই সামান্য অল্প ভাতার ওপরে নির্ভর করেন বা প্রকৃত পাওয়ার হকদার, আরও যদি ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’

নর্দান পার্কে সুভাষ উদ্যানের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, ‘১ কোটি ৪৫ লক্ষ মা-বোন-দিদিকে টাকা দিয়েছি। জুনে ২৮ লক্ষ। তাড়াতাড়ি তালিকা ঠিক করা যায়নি। জুলাইতে ১ কোটি ১৯ লক্ষ। এই মাসে ১ কোটি ৪৫। এটাও কথা দিয়ে গেলাম, যারা এই সামান্য অল্প ভাতার ওপরে নির্ভর করেন বা প্রকৃত পাওয়ার হকদার, আরও যদি ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। কিন্তু, ধমক-চমক দিয়ে, রিল বানিয়ে আর মিডিয়া ট্রায়াল করে, আর ২০ জন লোককে রাস্তায় নামিয়ে ওই হেরে যাওয়া তৃণমূল…খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাওয়া…কেউ বলে আমি কালীঘাট, কেউ বলে আমি ঋত…কে বলে গেলাম উত্তরে, কে বলে দক্ষিণে…ভাইপো আবার বিদেশে, পিসির ঘরে তালা-চাবি লাগানো। আপনাদের এসব কোনও বুদ্ধি চলবে না।’

আরও পড়ুন: সেঞ্চুরি করে ভারতকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দিলেন জুড়েল, ৫০৩/৯ স্কোরে ডিক্লেয়ার গিলের



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *