অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: গুপ্তধন নয় !  মাটির মেঝে খুঁড়ে বেড়িয়ে এল রাশি রাশি টাকা সমেত কেজি কেজি গাজা। একাধিক প্লাস্টিক বালতির ভেতর ক্যারি-ব্যাগে লুকিয়ে রাখাছিল বলে জানা যায়। গোপন সূত্রের খবরে, রাতের অন্ধকারে পুলিশি অভিযানের তল্লাশিতে বেড়িয়ে আসে এমন দৃশ্য। বাড়ির মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনার পর পলাতক অভিযুক্ত দাদা। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, আলিপুরদুয়ার থানার অন্তর্গত আলিপুরদুয়ার পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড, সূর্যনগর এলাকার ঘটনা। জানা যায়, গোপন সূত্রের খবরে শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ এক বাড়িতে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। ভাই-বোনের সংসারে যদিও সেই সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিল না বাড়ির অবিভাবক, অভিযুক্ত গাজা ব্যাবসায়ী বাবন বল। বাড়িতে ছিলেন তার অবিবাহিতা বোন। ফলে মহিলা পুলিশের দুর্গা বাহিনীর মাধ্যমে শুরু হয় তল্লাশি। টিনের ঘেড়া দুই রুম বিশিষ্ঠ মাটির মেঝের বাড়ি। সেই বাড়ির অগছালো, উলোট-পালট হওয়া একটি ঘড়ের মেঝের পরিস্থিতি দেখেই সন্দেহ হয় পুলিশের। ফেলে রাখা প্লাস্টিক বস্তা সড়িয়ে সেখানকার এবড়ো-খেবড়ো মাটি সড়াতেই বেড়িয়ে আসে একাধিক ছোটো প্লাস্টিক বালতি, জলের কলস।

প্লাস্টিকে মোড়ানো প্রচুর পরিমান গাঁজা। আর ঘড়ের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাপড়ের তলে, বস্তায়,  ব্যাগে, ক্যারি-ব্যাগে রাখা ছিল রাশি রাশি টাকার বিভিন্ন নোট সহ খুচরা ৫ ও ১০ টাকার কয়েনও। এছাড়াও মিলেছে ৫০, ১০০, ২০০ ও ৫০০ টাকার অজস্র নোট। রাত ৮ টা থেকে চলতে থাকে পুলিশের এই তল্লাশি অভিযান। সমস্ত ঘর তল্লাশি করা হয়। জমা করে গোনা হয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা টাকা। বাজেয়াপ্ত করাহয় টাকা ও গাঁজা। শুক্রবার রাতে পুলিশি অভিযানে এমন রহস্য বেড়িয়ে আসার খবরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় শহরে। মানুষের ভীড় জমেযায় অভিযুক্তর বাড়িতে। 

পুলিশসূত্রে জানাযায়, প্রায় ৬ কিলো ৪০০ গ্রাম গাঁজা সমেত উদ্ধার হয় বিভিন্ন নোটের মোট ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬০৪ টাকা নগদ। বাড়িতে উপস্থিত মহিলাকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। পলাতক অভিযুক্ত গাঁজা ব্যাবসায়ী বাবন বল। আলিপুরদুয়ার থানার পুলিশ, তার সন্ধান শুরু করেছে। পুলিশের অনুমান, শুধুমাত্র গাঁজার ব্যাবসা নয়। এর পাশাপাশি ব্রাউন-সুগারের ব্যাবসাও করে থাকার সম্ভাবনা প্রবল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *