কলকাতা : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অফিসের ভাড়া এবং চুক্তি নিয়ে। অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে বাজারদরের তুলনায় অনেক কম টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট দিয়ে বাড়ি কেনা হয়েছিল। এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অভিষেকের অফিসের নতুন বিতর্ক নিয়ে বিজেপি বিধায়ক (বরানগর) সজল ঘোষ বলেছেন, ‘ওরা জবরদখল ছাড়া কী করেছে… আমি… ওর তো অফিস… ছেড়ে দাও… আমি প্রশ্ন করছি আপনাদের শান্তিনিকেতন বিল্ডিংয়ের নীচের চায়ের দোকানের সেই ভদ্রলোক কোথায় গেলেন? তাঁকে কীসের বিনিময়ে তোলা হয়েছিল তার উত্তর দিক আজকে।’ এর পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক (বেলেঘাটা) বলেছেন, ‘কলকাতা শহরে কতগুলি অফিস চলছে, তাদের প্রত্যেকের ভাড়া, লাইসেন্স সব ঠিক আছে কিনা, সেগুলো একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হোক। রাজনৈতিক নিশানা, রাজনৈতিক অভিসন্ধিটা মুখ্য হয়ে যায়।’ 

আরও বিতর্কে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস। তৃণমূলের অফিসের ভাড়া ও চুক্তি ঘিরে উঠেছে বড় অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, মালিকপক্ষের অভিযোগ, ২০২০ সালে বাড়ির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কার সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি হয়েছিল। অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে বাজারদরের তুলনায় অনেক কম, মাত্র ৫০ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট দিয়ে অফিসটি নিয়ে নেওয়া হয়। ১৭ হাজার স্কোয়ার ফিটের দু’টি (৭ তলা ও ৮ তলা ) ফ্লোরের মাসিক ভাড়া ছিল মাত্র ১০ লক্ষ টাকা। পুলিশ সূত্রে খবর, চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বা CC না পাওয়া পর্যন্ত ওই জায়গা দখল করে ব্যবহার বা কাঠামোগত কোনও পরিবর্তন করা যাবে না। ততদিন শুধুমাত্র ‘ফিট আউট পারপাসে’ জায়গাটি ব্যবহার করা যাবে। অভিযোগ, এরপর প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে ‘পলাতক’ বিনয় মিশ্র ও জেলবন্দি শান্তনু বিশ্বাসরা মালিকের কাছ থেকে কার্যত অফিসটি কব্জা করেন। এমনকী অভিযোগ, গত পাঁচ মাস ধরে এই অফিসের ভাড়াও বকেয়া রয়েছে। 

তৃণমূল চলে গেছে, নির্মূল হয়ে গেছে, বিভিন্ন নেতারা বিভিন্ন নামে…’, কী বার্তা শমীক ভট্টাচার্যর 

বিগত কয়েকদিন ধরেই ৯ ক্যামাক স্ট্রিটে থাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস সংবাদ শিরোনামে রয়েছে। সূত্রপাত ওই অফিসের ছাদে থাকা একটি বিলবোর্ড ভাঙা নিয়ে। পুরসভার মতে ওই বিলবোর্ড ‘অবৈধ’। তাই তা ভেঙে দিতে গত ২৭ অগস্ট অভিষেকের অফিসে পৌঁছয় কলকাতা পুলিশ ও পুরকর্মীদের দল। আর সেখানেই তৈরি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। একাধিক অভিযোগে এই ঘটনায় তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। সেখানে অভিষেক ছাড়াও নাম রয়েছে তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায়, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন আইপিএস এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়পক হুমায়ুন কবীরের। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *