কলকাতা: ‘আর্টস হস্টেলে। এসব এখানে চলবে না। ভিতরে থেকে কিষেণজি রেড স্যালুট, এসব চলবে না।’ এই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই হল অ্য়াকশন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের একাধিক বিতর্কিত দেওয়াল লিখন মুছে ফেলল কর্তৃপক্ষ। এদিকে, দেওয়াল মোছার বিরোধিতা করেছে SFI. অন্য়দিকে, বিশ্ববিদ্য়ালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বিতর্কিত দেওয়াল লিখন থাকলে তা মুছে দেওয়া হবে।

গত কয়েক দিন ধরেই আলোচনার একেবারে কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বাম পরিচালিত ছাত্র সংগঠন ও RSS-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সংঘাতের জেরে, ১৯ অগাস্ট রাতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। পরের দিন মিছিল, পাল্টা মিছিলেও উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। এই প্রেক্ষাপটেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয় প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দেওয়াল লিখনের একাধিক ছবি পোস্ট করে সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, আর্টস বিভাগের বয়েস হস্টেলে আপত্তিকর, রাষ্ট্রবিরোধী দেওয়াল লিখনের বিষয়ে রিপোর্ট মিলেছে। কোনও পরিস্থিতিতেই সেই জায়গাকে দেশবিরোধী ভাবনা প্রচারের জন্য় ব্য়বহার করার সুযোগ দেওয়া হবে না। 

আরও পড়ুন – যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিরোধী দেওয়াল লিখন? কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বলছেন ছাত্ররা?

দেওয়ালে ঠিক কী কী লেখা ছিল ?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের দেওয়ালে লেখা আছে নানা ধরনের ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান, এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ে সাফাই অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার সেই কথা অনুযায়ী কাজ। শনিবারই দেখা গেল সাফাই অভিযান চালানো হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ে। বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন দেওয়ালে স্লোগান লেখা আছে। তারমধ্য়ে নির্দিষ্ট কিছু স্লোগান মুছে ফেলা হল। দেওয়ালে লেখা ছিল- ভিতরে থেকে কিষেণজি রেড স্যালুট, ফ্য়াসিস্ট ডু নট ডিসার্ভ ডেমোক্রেসি, দে ডিসার্ভ বুলেট ইন দেয়ার হেড। সেই লেখাটি মুখে ফেলা হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ভিতরে রয়েছে ওপেন এয়ার থিয়েটার। তার দেওয়ালেই লেখা ছিল এইসমস্ত কথা। শনিবার দেখা যায় দেওয়ালে থাকা লেখা মুছে দেওয়া হচ্ছে। আরও বেশ কিছু দেওয়ালেও মোছা হয়েছে স্লোগান।

এই ঘটনা নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডল বলেন, ”এটা কোনও নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও বিতর্কিত গ্রাফিতি মোছা হয়েছে। পরশু দিনেই উপাচার্য বলেছিলেন সেই অনুযায়ী মোছা হয়েছে। সেই অনুযায়ী চলছে। আমাদের চোখের সামনেই যতগুলি পড়েছে, স্টাফদের বলা হয়েছে। মুখ্য়মন্ত্রী বলেছেন, উপাচার্যের কাছে সেই নির্দেশ ছিল বা কথা বলেছেন। আগেও করেছি। বিতর্কিত বিষয় থাকলে সেটা মোছা হয়।”

(স্টোরিটি এই মুহূর্তে ব্রেক করা হয়েছে, আপডেট করা হচ্ছে I সাম্প্রতিকতম আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন)



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *