কলকাতা: নেপালে নিখোঁজ এ রাজ্যের ৩৭জন, ভবানী ভবনে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিখোঁজদের পরিজনদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
‘৩৯জনের মধ্যে ২জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বিদেশমন্ত্রক অনুমতি দিলেই কাঠমাণ্ডু যাবে রাজ্যের প্রতিনিধিদল। নিখোঁজের পরিজনদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
নেপালে বিপর্যয়, এখনও নিখোঁজ বাংলার ৩৭ জন। নিখোঁজ পরিবারগুলির সদস্যদের সঙ্গে কথা মুখ্যমন্ত্রীর। পাশে থাকার আশ্বাস।
হিমালয়ের দেশে এখন শুধুই হাহাকার!! প্রকৃতির রোষে বিপর্যস্ত নেপাল। চলছে উদ্ধারকাজ। আকাশে উড়ছে সেনা কপ্টার ও ড্রোন। মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে ৫৪৭ জনের। এখনও নিখোঁজ হাজার। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৮৪ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ২৮৯ জন ভারতীয়র সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত নেপাল থেকে ৮৪ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে ত্রিশূলি-১ প্রকল্পে কর্মরত ৬৩ জন ভারতীয় এবং কৈলাস মানস সরোবরের উদ্দেশে যাওয়া তামিলনাড়ুর ২১ জন রয়েছেন। তবে এখনও ২৮৯ জন ভারতীয়র সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের অবস্থান জানতে এবং নিরাপদে উদ্ধারের লক্ষ্যে নেপাল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলেছে বিদেশমন্ত্রক।
বৃহস্পতিবারই চিন সতর্ক করে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নেপালে ধেয়ে আসতে পারে নতুন বিপর্যয়। এরই মধ্যে এদিন সকালে ফের হড়পা বানের হাই অ্যালার্ট জারি হয় নেপালে। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চিনে ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে গিয়েছে তিব্বত-নেপাল সীমান্তের একটি হ্রদ। আতঙ্কে খাবার, জল ও গবাদি পশু থেকে হাতের কাছে যা ছিল, তাই নিয়ে ওপরের দিকে পালাতে শুরু করেন বাসিন্দারা। সেই সঙ্গে কাজ ফেলে দৌড় লাগান উদ্ধারকারীরাও। যদিও শেষমেশ আর কোনও বিপর্যয় আসেনি।
নেপাল প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশ কিছু ভারতীয় সহ এখনও নিখোঁজ প্রায় হাজার জন। চিতওয়ান, ধাদিং, রাসুয়া-সহ ৮টি জেলায় শুধুই ধ্বংসের ছবি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার কাজ।