পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : বিধানসভার ভিতর থেকে দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল সোমবার সকালে। বিধানসভার শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয় ক্যান্টিন কর্মীর দেহ। শৌচালয়ের সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়েছিলেন ক্যান্টিন কর্মী উমেশচন্দ্র দাস।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিধানসভার শৌচালয় থেকে দেহ উদ্ধার করে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ । তারপর দেহটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। মৃত্যুর কারণ জানতে দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে সোমবারই।  

অচৈতন্য অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। দ্রুত উদ্ধার করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিধানসভা চত্বরে। কীভাবে মৃত্যু হল উমেশচন্দ্র দাসের? অসুস্থ হয়ে মৃত্যু, দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদেহে বাইরে থেকে আঘাতের স্পষ্ট কোনও চিহ্ন এখনও পর্যন্ত নজরে আসেনি। তবে যে পরিস্থিতিতে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে, তা ঘিরেই তৈরি হয়েছে রহস্য। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সোমবার, একে একে যখন আসতে শুরু করেছেন বিধায়ক, আধিকারিকরা, তখনই চাঞ্চল্য ছড়ায় এই উদ্ধার হওয়া দেহ ঘিরে।             

ঘটনাস্থল সম্পূর্ণ ঘিরে রেখেছে পুলিশ। তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন সায়েন্টিফিক উইংয়ের সদস্যরাও। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পুলিশ একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। অসুস্থতার ফলেই কি মৃত্যু হয়েছে ক্যান্টিন কর্মী উমেশচন্দ্র দাসের ? কোনওভাবে পড়ে গিয়ে আঘাত লেগেছিল কি না, নাকি তাঁকে কেউ হত্যা করেছে ? সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।               

সোমবার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা। সেই রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সুরক্ষিত চত্বরে কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পুলিশের তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।                         

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *