কলকাতা : শক্তি হারাতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। বর্তমানে গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে এটি। সময় যত এগোবে আরও শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার ৩০ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টি কমার কথা রয়েছে। তবে অন্যদিকে আবার দুর্যোগ বাড়বে উত্তরের জেলাগুলিতে। কিন্তু এইসবের মাঝে চোখ রাঙাচ্ছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, দক্ষিণ আন্দামান সাগরে নতুন করে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাবে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ফের ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এই ঘূর্ণাবর্ত গভীর নিম্নচাপ কিংবা নিম্নচাপে পরিণত হবে, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা নেই এখনও পর্যন্ত। অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ এখন এগোচ্ছে দক্ষিণ ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশার দিকে। 

‘গর্বের সঙ্গে বলছি আমি দিমাগি নকশাল’, বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ 

ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’- এর পরবর্তী প্রভাব হিসেবে আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন জেলায় দুর্যোগ চলবে, জেনে নিন 

  • আগামীকাল ৩০ অক্টোবর শুক্রবার ভারী বৃষ্টি (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) হতে পারে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা – এই জেলাগুলির দু-এক জায়গায়। জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। দুই মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। এই তিন জেলার বাকি অংশে হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 
  • ৩১ অক্টোবর শনিবার হাল্কা থেকে মাঝারি, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া – এই জেলাগুলির দু-এক জায়গায়। এই ৫ জেলার দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সঙ্গে হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। তার জন্য জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। 
  • ১ থেকে ৫ নভেম্বর দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মূলত শুক্রবার ৩১ অক্টোবর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টি কমবে। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *