মুম্বইতে গুলি চালানো হয়েছে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে। এই ঘটনায় সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে চমকে দেওয়ার মতো একটি তথ্য। সূত্রের খবর, টাইগার শ্রফ নয়, শুটারদের টার্গেট ছিলেন অন্য কেউ। যে তিন শুটার ঘটনার দিন অভিনেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল, তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হৃতিক ওরফে রোশন (২২) – বাড়ি বিহারে, রেহান (১৮) এবং ফুল সিং (১৮) – এই দু’জনের বাড়ি হরিয়ানায়, টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য একাধিক বার গুলি চালায় গত রবিবার সন্ধ্যায়। মুম্বইয়ের জুহুতে একটি ফুটবল ম্যাচ খেলে তখন নিজের বিএমডব্লু গাড়ি নিয়ে বেরোচ্ছিলেন টাইগার শ্রফ। সূত্রের খবর, গ্রেফতার করার পর এই ৩ জনকে জেরার সময় তারা পুলিশকে জানিয়েছেন যে মুম্বইতে তারা এসেছিল অন্য কোনও হাই-প্রোফাইল লোককে মারতে। 

টাইগার শ্রফের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৪, রয়েছে ২ মহিলাও, কোন কাজে যুক্ত ছিল ধৃতরা ? 

সূত্রের খবর, মুম্বইয়ে এসে কয়েকদিন ঘোরাঘুরির পর ওই তিন শুটার বুঝতে পারে যে তাদের প্রথম টার্গেটকে খতম করা মোটেই সহজ কাজ নয়। এরপর তারা টাইগার শ্রফকে টার্গেট করে। সূত্রের আরও খবর, অভিনেতার কোনও এক ফ্যান রিলস পোস্ট করেছিল যে টাইগার শ্রফ পুলিশের নিরাপত্তা নেন না। এরপরেই টার্গেট হিসেবকে টাইগারকে বেছে নেয় ওই তিন শুটার। এরপর টাইগার শ্রফ এবং তার ফ্যানদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা শুরু করে ওই তিন আততায়ী। সেখান থেকেই অভিনেতার গতিবিধির ব্যাপারে প্রচুর তথ্য পাচ্ছিল এই তিনজন শুটার। সূত্রের খবর, এই তিনজনের আসল উদ্দেশ্য ছিল টাইগার শ্রফকে মেরে ফেলে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ভয় ছড়িয়ে দেওয়া। টাইগারের গাড়ি লক্ষ্য করে সাতবার গুলি চালায় তিন আততায়ী। আরও গুলি চালানোর উদ্দেশ্য ছিল তাদের। তবে একজনের বন্দুক জ্যাম হয়ে যায়। এই ঘটনায় অভিনেতা এবং তার গাড়ির চালক আহত হয়েছিলেন। তবে কোনওমতে ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি চালিয়ে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন তাঁরা। 

টাইগার শ্রফের উপর গুলি চলার কয়েক ঘণ্টা পর এই ঘটনার দায় স্বীকার করে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। বলা হয়, টাইগারকে টার্গেট করা হয়েছে কারণ তাঁকে বলা হয়েছে সলমন খানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য। তবে টাইগার তা করেননি। আর তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের রোষানলে পড়েছেন। এটাই প্রথম নয়। এর আগে একাধিকবার বহু অভিনেতার উপর হওয়া আক্রমণের পিছনে রয়েছে এই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হাত। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *