কলকাতা: উপ নির্বাচনে বিকল্প নাম ও প্রতীক পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। দলের নতুন নাম মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, প্রতীক ফুটবল খেলোয়াড়, অনুমোদন কমিশনের। কাল উপ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন। তার আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীর সঙ্গে ময়দানে PWD-র টেন্টে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ। এরপরই প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেন সঞ্চিতা দে প্রধান। 

এদিনই বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, ‘আজ গণতান্ত্রিক দেশে এক কালো দিন। বিজেপির কথায় নির্বাচন কমিশন কাজ করছে ভোটের আগে থেকে। অসাংবিধানিক, পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন। গতকাল রাত ১টায় আমাকে জানানো হয়েছে। আমি সংবিধানকে অসম্মান করি না। কিন্তু গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটা লজ্জাজনক। আজ ক্ষমতায় আসে, কাল থাকবে না। তখন কী হবে? প্রথমে এসআইআর দিয়ে শুরু করেছে, কত নাম বাদ দিয়েছে। এরপর নির্বাচনের সময় ইভিএম মেশিনও হ্যাক করেছে। AI-র মাধ্যমে ভোট লুঠ হয়েছে। কেন কোনও তদন্ত হল না? পরিকল্পনা করে মিথ্যে নির্বাচন করানো হয়েছে। এর আগে উদ্ধব ঠাকরের দলের সঙ্গেও এমনটা হয়েছে পার্টির নাম ও প্রতীক বদল হয়েছে।’ 

মমতা বলেন, ‘এতদিন পর মনে হল এবার দলের নাম-প্রতীক বদল করতে হবে। ২৯ বছর ধরে এই প্রতীকে, এই নামে চলছে। কেন এই নাম আমাদের দেওয়া গেল না। যে ভুয়ো দল তৈরি হয়েছে তাদের সঙ্গে এক আসনে কেন বসানো হল? ভাবিনি যে আমাদের অ্যাকাউন্ট, দলের নাম-প্রতীক এভাবে ফ্রিজ করবে। আমাদের বারবার হুমকি দিয়েছে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য’। 

ঋতব্রতের দলের নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মমতা বলেন, ‘ওটা দল নয়। ওটা নির্দল, বিজেপির দালাল দল।’               

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘EVM হাইজ্যাক করে নিয়েছিল, বলার ভাষা নেই। ভয়ঙ্কর পুলিশি অত্যাচার চলছে গোটা বাংলাজুড়ে। CRPF-দিয়ে ভোট গণনা করা হয়েছে। বিজেপির তহবিলে কোটি কোটি টাকা, তাতে দোষ নেই। অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। চিটিং করে জেতার পরেও এত ভয় কিসের?’                                                                              



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *