সুনীত হালদার, হাওড়া: বাজারে চিনি ও সবজির দাম বৃদ্ধির মধ্যেই মধ্য হাওড়ার কদমতলায় অভিযান চালাল ডিস্ট্রিক্ট এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (ডিইবি) ও পুলিশ। এদিন যৌথভাবে কদমতলার একটি চিনির গোডাউনে হানা দেয় তারা। এ ছাড়াও তার পাশাপাশি সবজি বাজারেও বিভিন্ন সামগ্রীর দাম যাচাই করেন আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন: তৃতীয় দিনের শেষে ২৩৮ রানে পিছিয়ে শ্রীলঙ্কা, ভারতের জয়ের সামনে বাধা শুধুই বৃষ্টি!

বর্তমানে খোলা বাজারে মান অনুযায়ী প্রতি কেজি চিনি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গোডাউনের কর্মীদের দাবি, তাঁরা প্রতি কেজি চিনি কিনেছেন ৬২ টাকা দরে। এ ছাড়াও তাঁরা আরও জানান, প্রত্যেক বস্তায় ৩০ থেকে ৩৫ টাকা লাভে তাঁরা চিনি বিক্রি করছেন। অভিযানের সময় আধিকারিকরা গোডাউনের কাগজপত্র পরীক্ষা করেন।

এরপর আধিকারিকরা কদমতলা সবজি বাজারে যান। সেখানে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন সবজির দাম খতিয়ে দেখা হয়। সবজি বিক্রির ক্ষেত্রে দাঁড়িপাল্লায় কম ওজন দিয়ে গ্রাহকদের জানতে ঠকানো না হয়, সেটা নিয়েও বিক্রেতাদের সতর্ক করে দেওয়া হয় আধিকারিকদের পক্ষ থেকে। বিক্রেতাদের বক্তব্য, সকালের দিকে সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি, প্রতি কেজি সবজিতে ২ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত লাভে বিক্রি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হু হু করে দাম বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের, লাগাম পরাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে অভিযান

ডিস্ট্রিক্ট এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর শ্রাবণী রায় জানান, জিনিসপত্রের দাম যাতে আর বেশি না বাড়ে, সেই কারণেই এই অভিযান। তাঁর বক্তব্য, চিনির আমদানিতে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরো বাজারেও তার প্রভাব পড়েছে। খোলা বাজারে বিক্রেতারা এক টাকা লাভে ছাড়ছেন বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল তৌসিফ আলি আজাহার জানান, চিনির দাম বেড়েছে এবং সরবরাহ কম রয়েছে। এর মধ্যেও কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক নয়, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি বাঁকুড়াতেও এমন অভিযান চলে। সেখানের চক বাজারে অভিযান চালায় পুলিশ ও এনফোর্সমেন্ট বিভাগের আধিকারিকরা। অন্যদিকে, তারাপীঠ ও কলকাতার হোটেলে পরপর অগ্নিকান্ডে মৃত্যু মিছিল দেখেছে রাজ্য। সেই ঘটনাগুলি থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার রাজ্যের অন্যতম তীর্থস্থান জয়রামবাটিতে একের পর এক হোটেলে হানা দিয়ে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখল দমকল, পুলিশ, ব্লক প্রশাসন ও বিদ্যুৎ দফতর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *