কলকাতা: ৪ বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের পরে বিচ্ছেদ ঘোষণা, স্বামীর থেকে আলাদা হওয়ার কথা ঘোষণা করলেন, জনপ্রিয় বলিউড সঙ্গীতশিল্পী। ২০২২ সালে বলিউডে স্বপ্নের বিয়ে সারেন তিনি। বলিউডে হিট গান গেয়ে ইতিমধ্যেই তিনি নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন, থেকেছেন চর্চাতেও। তবে এবার স্বামী গৌতম হাথিরমানির সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কণিকা কাপূর (Kanika Kapoor)। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি শেয়ার করে, স্বামীর সঙ্গে নিজের বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেছেন, কণিকা কপূর। 

কেন বিচ্ছেদের ঘোষণা কণিকার?

সোশ্যাল মিডিয়ায় কণিকা লিখেছেন, ‘অনেক ভাবনাচিন্তা করার পরে, আমি এবং আমার স্বামী আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা একসঙ্গে যে সময় কাটিয়েছি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানাই। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি, এই কঠিন সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করুন এবং আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকুন।’ তবে কণিকা এই বক্তব্য রাখার পরেই প্রশ্ন উঠেছে যে, আদৌ কি বিচ্ছেদের জন্য মামলা দায়ের করেছেন কণিকা এবং গৌতম? সেই কথা এখনও প্রকাশ্যে আনেননি তাঁরা। এমনকি গৌতমের সঙ্গে ঠিক কী কারণে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কণিকা, সেটা অবশ্য প্রকাশ্যে আনতে চাননি সঙ্গীতশিল্পী।

এর আগেও বিচ্ছেদের মতো পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন কণিকা

এখানেই শেষ নয়, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে স্বামী গৌতমের সঙ্গে সমস্ত ছবি মুছে ফেলেছেন কণিকা। ২০২২ সালে বিদেশে স্বপ্নের বিয়ে সারেন কণিকা আর গৌতম। তবে ৪ বছরেই ভেঙে গেল সেই সম্পর্ক। তবে এর আগেও  বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন কণিকা, তাঁর ৩ সন্তানও রয়েছে। গৌতমের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে কণিকা বলেছিলেন, ‘আমি ঠিক যেমন, সেভাবেই আমায় ভালবেসেছে গৌতম। একজন মা হিসেবে, একজন শিল্পী হিসেবে, একজন মেয়ে হিসেবে এবং সর্বোপরি, একজন বন্ধু হিসেবে। আমার এর আগে বিবাহ হয়েছে, বিচ্ছেদ হয়েছে, ৩ সন্তানও রয়েছে। গৌতমের পরিবারের কাছে আমার সঙ্গে বিবাহের কথা বলতে নিশ্চয়ই প্রাথমিকভাবে ও সমস্যায় পড়বে, এমনটাই মনে হয়েছিল আমার। কিন্তু শুধু গৌতম নয়, ওর গোটা পরিবারই আমায় মেনে নিয়েছে। ভালবেসেছে। এর আগে, গত ১০ বছর আমার ভীষণভাবে একা কেটেছে।

আরও পড়ুন: R. Madhavan: ফের ‘হরর’ ছবির মুখ্যভূমিকায় আর মাধবন, পরিচালনায় বিশাল

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *